পাহাড়ে শীতের জোরালো দাপট থাকলেও সমতলে বিদায়ের সুর। ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স করলেও শীত বেলাশেষে দিগভ্রষ্ট। পাহাড় এবং সমতলে বিভাজন সৃষ্টি করেছে। উত্তরবঙ্গের ওপরের ৫ জেলায় বিশেষ করে দার্জিলিং এবং তৎপ্বার্শবর্তী অঞ্চলে ঠান্ডা যথেষ্ট। বৃষ্টি, তুষারপাতের পরিস্থিতি। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এককের ঘরে। কুয়াশার দাপট সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা এখন উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গে শীতের ছবিটা বদলে গিয়েছে। পারদের ওঠানামা চলছে। আলিপুর আবহাত্তয়া দফতর জানিয়েছে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।
দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট এখন অনেকটাই কম। সকাল ও সন্ধ্যার দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও, রোদ উঠলেই তা উধাও হয়ে যাচ্ছে। এককথায় মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যে দুই প্রান্তে যেন দু’রকম আচরণ আবহাওয়ার। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির পূর্বাভাস, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে ক্রমশ ফিকে শীতের আমেজ। দ্রুত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দার্জিলিং ও তার পার্শ্ববর্তী কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় এক-দু পশলা হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। নিচের দিকে অর্থাৎ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার অনেকটাই ওপরের দিকে থাকবে।
বুধবার দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম স্থান কল্যাণী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতলের শীতলতম স্থান ছিল পুণ্ডিবাড়ি এবং কোচবিহার, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বুধবার কলকাতা এবং তৎপ্বার্শবর্তী অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.০৯ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল সর্বোচ্চ ৯১ শতাংশ সর্বনিম্ন ৪৭ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার দিনের আকাশ পরিষ্কার। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি এবং ১৬ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।









