বিধানসভা নির্বাচনের জন্য় ইতিমধ্যেই ২ দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এখনও বেশ কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি রয়েছে বিজেপির। অথচ এর মধ্যেই প্রার্থী অপছন্দে চলছে বিক্ষোভ। কর্মী-সমর্থকদের দাবি, প্রার্থী বদল করতে হবে। বিভিন্ন জেলায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে।
প্রার্থী অপছন্দে এবার শুভেন্দুর জেলায় বিক্ষোভের ছবি ।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Assembly Election 2026) পছন্দ নয়। খেজুরিতে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে সুব্রত পাইককে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একাংশের অপছন্দ করেন সুব্রতকে। শুক্রবার রাতে বোগা হেঁড়িয়া রাজ্য সড়কের বিদ্যাপিঠে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা।
দীর্ঘক্ষণ পর বিক্ষোভ উঠলেও বিক্ষোভ কারিরা জানান, দল প্রার্থীর পরিবর্তন না করলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।
অন্য়দিকে, দিলীপ পত্নী রিঙ্কু মজুমদারের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তিনি টিকিট পাবেন। কিন্তু দ্বিতীয় তালিকায় নাম না থাকায় বেজায় চটেছেন রিঙ্কু । ঝাড়াই-বাছাই করে সুযোগ্য প্রার্থী যাতে খুঁজে নেয় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, তার জন্য বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে জমা দিয়েছিলেন নিজের জীবনপঞ্জী। দীর্ঘদিন ধরে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে এটুকু আশা তো ছিলই যে ভোট ময়দানে এবার তাঁকে সৈনিক করবে গেরুয়া শিবির। কিন্তু দু’দফায় বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও তা আর হল না। সংবাদমাধ্যমের কাছে উগড়ে দিলেন তার ক্ষোভ। রিঙ্কু বলেন- রাজারহাট-নিউটাউন ও বীজপুরে যে প্রার্থীদের দাঁড় করানো হয়েছে, তাঁরা আর্থিক দুর্নীতি-সহ একাধিক কুকাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি নাকি সুনীল বনশালজিকে একথা জানিয়েছেন। জানি না,দল কোন সমীক্ষার ভিত্তিতে এঁদের প্রার্থী করল, কিন্তু দলের এসব লোকজনের আসল পরিচয় শীর্ষ নেতাদের জানানোটাই তাঁর কর্তব্য।
সপ্তাহের গোড়াতেই নাম ঘোষণা হয়েছিল ১৪৪ জন প্রার্থীর। তখন থেকেই বঙ্গ বিজেপিতে অশান্তির মেঘ জমছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে ১১২ জনের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ হওয়ামাত্র তা চরমে পৌঁছেছে। প্রার্থী বদলের দাবি উঠেছে বাংলাজুড়ে (West Bengal Assembly Election 2026)। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—জেলায় জেলায় পার্টি কর্মীদের অসন্তোষের আগুনে পুড়ছে গেরুয়া শিবির।

