একটা সময়ে এই কেন্দ্রকে বলা হতো বামফ্রন্টের গড়। কিন্তু গত বিধানসভা ভোটে সুজন চক্রবর্তী এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। ২০১১ সালে এই আসনে পরাজিত হয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যা পালাবদলের বছরে বড় চমক ছিল।
এবার যাদবপুর কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (West Bengal Election 2026)। তাঁর সমর্থনে সোমবার বিরাট মিছিল হলো। যাদবপুরের ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে চলল বাইক মিছিল। লালঝান্ডায় মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। জিপে ছিলেন সিপিআইএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। লাল পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল জিপ। সাউন্ড বক্সে বাজছিল প্রচারের অভিনব গান। কর্মীদের মুখে মুখে উঠছিল স্লোগানও। লালঝান্ডা কাঁধে নিয়ে কর্মী সমর্থকেরা বাইক মিছিল করে এগিয়ে যান। রবিবার এমনই ছবি ধরা পড়ল যাদবপুর বিধানসভায়। বাড়ির বারান্দা ও জানলায় দাঁড়িয়ে প্রার্থীকে দেখছিলেন অনেকেই। সাধারণ মানুষের দিকে হাত নাড়তে নাড়তে প্রার্থী এগিয়ে যান।
আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। নির্বাচনের শেষলগ্নে প্রচারে একচুলও মাটি ছাড়তে চাইছেন না কেউই। তেমনই সোমবার বিশাল বাইক মিছিলে প্রচারের শেষলগ্নে ঝড় তুললেন যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (West Bengal Election 2026)।
২৩ এপ্রিল ছিল প্রথম দফার ভোট। SIR-এর পর প্রথম দফায় ভোট পড়েছে রেকর্ড ৯২ শতাংশেরও বেশি। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কোচবিহার ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। পাহাড়, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান বাদে সব জায়গায় ভোট পড়ল ৯০ শতাংশের বেশি। SIR-এর পর ভোট-সুনামি। ভগবানগোলা, রঘুনাথগঞ্জে ভোট পড়েছে প্রায় ৯৭ শতাংশ। সামশেরগঞ্জ, লালগোলা, ফারাক্কা, রানিনগরে ভোটের হার ৯৬ শতাংশ। ৯৫ শতাংশ ভোট পড়ল কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুরে। এগারোয় তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময় ভোট পড়েছিল প্রায় ৮৫ শতাংশ। বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যেও ছাব্বিশে ভোট পড়ল ৯২ শতাংশেরও বেশি। রেকর্ড ভোটে খুশি কমিশন। CEO-র প্রশংসায় CEC।

