গণতন্ত্রের উৎসব নির্বাচন। সেই উৎসব এবার যেন একটু বেশিই তারকাদের গ্ল্যামারে ‘গ্ল্যামারাস’। বৃহস্পতিবার বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা যেন সেটাই বলে দিচ্ছে। আর তাতেই সামনে এল একাধিক পরিচিত সেলেব মুখ। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়। প্রথম তালিকায় ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ ও অগ্নিমিত্রা পাল।(West Bengal Election)

টালিগঞ্জ কেন্দ্র যেখানে রাজনীতি বরাবরই শক্তিশালী সমীকরণের খেলা। সেই কেন্দ্রেই তৃণমূলের হেভিওয়েট অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামছেন বিজেপির পাপিয়া অধিকারী। প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়েও আত্মবিশ্বাসী অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, দল আমার উপর আস্থা রেখেছে, সেটাই বড় বিষয়। সেই ভরসা রাখার চেষ্টা করব। মোদিজির ‘সব কা সাথ, সব কা বিশ্বাস’ নিয়েই নামছি। তিনি আরও বলেন, ২৯৪ টি আসনেই মোদিজি লড়ছেন, আমরা তো শুধু যোদ্ধা।(West Bengal Election)
সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে যেন একেবারে মাল্টিস্টার। একদিকে তৃণমূলের লাভলী মৈত্র, অন্যদিকে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। রয়েছেন জনসংগ্রাম মঞ্চের প্রার্থী রাজন্যা হালদার। টিকিট পেয়েই রূপা জানান প্রতিক্রিয়া। তিনি বলেন,সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে ভাবি না। মানুষের কাছে পৌঁছনোই আসল।পশ্চিমবঙ্গে আমরা দিনের পর দিন মার খেয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা ভোলার নয়। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশে সৌজন্য বজায় রেখে বললেন, এই কেন্দ্রে তিনজন মহিলা প্রার্থী। বাকিদের সম্মান জানাই, শুভেচ্ছা রইল।
বিতর্ক, সমালোচনা সবকিছুর মধ্যেও হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রেখেছে দল (West Bengal Election)। খড়গপুর কেন্দ্র হাতছাড়া হলেও এবার তাঁকে পাঠানো হয়েছে শ্যামপুরে। হিরণের সোজাসাপ্টা জবাব, দল আগেই জানিয়েছিল খড়গপুরে টিকিট পাব না। কিন্তু আমি তো মাটি ছাড়িনি, কাজ করে গেছি। বক্তব্যে যেমন আক্ষেপ আছে, তেমনই আছে ফিরে আসার ইঙ্গিত।
আবার অন্যদিকে যাদবপুর বিধানসভা মানেই হাড্ডাহাড্ডি রাজনৈতিক লড়াই। সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তাঁকে লড়তে হবে বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও তৃণমূলের দেবব্রত মজুমদারের মতো অভিজ্ঞদের বিরুদ্ধে।
একুশে ভবানীপুরে হারার পর এবার নিজের এলাকায় নতুন লড়াই -এর জন্য প্রস্তুত বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। হাওড়ার শিবপুর থেকে লড়তে চলেছেন তিনি। তাঁর কথায় আবেগের সুর স্পষ্ট, এখানে কেউ ভোটার নয়, সবাই নিজের মানুষ-কাকু, কাকিমা, জেঠু, জেঠিমা। রুদ্রনীল ঘোষকে নয়, বাড়ির ছেলেকে ভোট দেবেন মানুষ।(West Bengal Election)









