নিহত Ayatollah Ali Khamenei। রবিবার সকালে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল তেহরান। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পাশাপাশি তাঁর মেয়ে, জামাই ও নাতিরও মৃত্যু হয়েছে। ৮৬ বছর বয়সি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা করা হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নিজের অফিসে বসে কাজ করছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। আচমকাই সেখানেই বোমা এসে পড়ে। ইরানের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে। ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে ইরানে উপরে হামলা শুরু করে ইজরায়েল। সে হামলায় আমেরিকার সেনাও হামলায় সহায়তা করছে। যৌথ বাহিনীর বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন আছড়ে পড়ছিল তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও।
পাল্টা হানায় কেঁপে উঠল তেল আবিব, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে আমেরিকা-ইসরায়েল
খামেনেইয়ের মৃত্যুকে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বলে অভিহিত করছে ইরান। পাশাপাশি অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়ে খুনিদের শাস্তি দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, খুনিদের শাস্তি দিতেই ইসলামিক রিপাবলিকের সশস্ত্র বাহিনী তৈরি হচ্ছে। যা কিনা ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণাত্মক অভিযান বলে হুঁশিয়ারি দেওয়াও হয়েছে। সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে রেভলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, যেকোনও মুহূর্তে শুরু হবে সবচেয়ে ভয়ংকর অভিযান শুরু হয়ে যাবে।
১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় ছিলেন খামেনেই। কয়েক সপ্তাহ আগেই ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। সেই বিক্ষোভ দমনের জন্য বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ইরানের তরফ থেকে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নেতার নিহত হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম খারাপ মানুষ বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। যেহেতু খামেনেইয়ের কোনও উত্তরসূরি ঘোষণা না হওয়ায় অনিশ্চয়তার মুখে ইরানের ভবিষ্যৎ।

