Site icon Hindustan News Point

Bangladesh Bus Accident : বাংলাদেশে বাস দুর্ঘটনায় ২৩ জনের মৃত্যু, ঈদের আনন্দের শেষে শোকের ছায়া

Bangladesh Bus Accident

ঈদের আনন্দ শেষ হতেই নেমে এল শোকের ছায়া। বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় (Bangladesh Bus Accident) প্রাণ হারালেন ২৩ জন যাত্রী। প্রায় ৪০-৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায় একটি বাস। বুধবার বিকেল সোয়া ৫টা নাগাদ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ভাসমান জেটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বাসটির মধ্যে থাকা যাত্রীদের অধিকাংশই ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। ভাসমান জেটিতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ বহু। এখনও জারি রয়েছে উদ্ধারকাজ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য ভাসমান জেটিতে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় ‘হাসনা হেনা’ নামে একটি ছোট ইউটিলিটি ফেরি এসে সজোরে ধাক্কা মারে ভাসমান জেটিতে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ধাক্কার জেরে ভাসমান জেটিটি ভেঙে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও, বেশিরভাগই ডুবে যাওয়া বাসটির ভিতরে আটকে পড়েন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাসটি নদীর প্রায় ৩০ থেকে ৬০ ফুট গভীরে তলিয়ে গিয়ে ভাসমান জেটির নীচে আটকে থাকে। রাজবাড়ী, ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তবে প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে উদ্ধারকাজে বারবার বাধা হয়।

বাসটি নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পর কোনও যাত্রীরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলেই প্রাথমিক অনুমান উদ্ধারকারী দলের৷ তবে বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী (Bangladesh Bus Accident) জানান, তিনি সাঁতার কেটে পাড়ে উঠতে পারলেও বাসটি ডুবে যাওয়ার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান তলিয়ে গিয়েছে । রাজবাড়ির কালুখালি উপজেলা থেকে বাসটিতে উঠেছিলেন আব্দুল আজিজুল৷ তিনি জানান, সাঁতরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান এখনও নিখোঁজ রয়েছে ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পরে উদ্ধারকাজ শুরু হয়, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে এবং উদ্ধারকাজ জারি থাকবে।


Exit mobile version