Site icon Hindustan News Point

Donal Trump: ঝিনুকের খোলসে ট্রাম্পকে ‘খুনের হুমকি’! আত্মসমর্পণ এফবিআই প্রাক্তন প্রধানের

Donal Trump

সমাজমাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। আদালতে (Donal Trump) আত্মসমর্পণ করলেন, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই-এর প্রাক্তন প্রধান জেমস কোমি। বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে হাজির হন তিনি।

২০২৫ সালে সমাজমাধ্যমে কোমি একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে সমুদ্রসৈকতে ঝিনুকের খোলস সাজিয়ে ইংরেজিতে “86 47” লেখা একটি ছবি ছিল। ওই সংখ্যা দুটি সাংকেতিক হিসাবে ধরা হয়েছিল। যার আরেকটি অর্থ হল “সরিয়ে ফেলা”। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ, এই ছবি দেশের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে লেখা। তার পরেই কেমির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

যদিও কোমির বক্তব্য, তিনি এই সংখ্যাগুলোর অর্থ জানেন না। একইসঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকারও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

কোমির সমাজ মাধ্যমে করা পোস্টটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প নিজের প্রতি হুমকি বলে মনে করেন। ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় কোমির মতো মানুষরা রাজনীতিবিদসহ অন্যদের জন্য অনেকটাই ক্ষতিকর।”

রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, তিনি আশা করেন “বালির ওপরের ওই ছবির বাইরে আরও কিছু বিষয় রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “নইলে, আমার মনে হয় এটি আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে, যেটির জন্য আমরা পরে অনুতপ্ত হবো।

মামলায় শেষ পর্যন্ত সাজা ঘোষণা করা হবে কি না, বুধবার এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, এই মামলাটির গত এক বছর ধরে তদন্ত চলছে।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিচার বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের (Donal Trump) সমালোচক হিসেবে পরিচিত কোমির বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে। বুধবার বিকেলে ভার্জিনিয়ার একটি আদালতে হাজিরার সময় কোমি নিজের পক্ষে কোনো আবেদন করেননি বা কেনও কথা বলেননি বলে জানা যায়।
এদিকে অনেক আইন বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, বিষয়টি পরিষ্কার হুমকি নয় এবং এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যেও পড়তে পারে।
তার আইনজীবী প্যাট্রিক ফিটজজেরাল্ড বলেছেন, নির্বাচনী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বিচারের অভিযোগ তুলে কোমি মামলাটি খারিজের আবেদন করবেন। তার দাবি, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে।
আদালত ঠিক করবে—এটি সত্যিই হুমকি ছিল, নাকি বৈধ মত প্রকাশ।


Exit mobile version