পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ একমাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। তবুও থামার কোনও লক্ষণ নেই। এরই মধ্যে মার্কিন সামরিকের দুটি বিমান ইরানে ভেঙে পড়ে। ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার খবর স্বীকার করে নিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও (Donald Trump Iran War)। তবে এর কোনও প্রভাব ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সমঝোতার আলোচনায় পড়বে না বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
সংবাদ মাধ্যমের খবর, ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যার একটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং অন্যটি হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে পড়েছে। নিখোঁজ মার্কিন বায়ুসেনার এক পাইলট।
ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে, এমন রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এক মার্কিন সংবাদ মাধ্যমকে ট্রাম্প স্পষ্ট বলেন, “না, একেবারেই না। এটা যুদ্ধ,আমরা যুদ্ধে আছি। যে কোনও পরিস্থিতিতে আলোচনা থেমে থাকবে না” তাঁর দাবি, সামরিক অভিযান এবং কূটনীতি সমান্তরালভাবে এগোবে। তবে ভূপাতিত বিমানটির নিখোঁজ পাইলটের উদ্ধারকাজ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump Iran War)। বরং তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, তাই বিস্তারিত এখন প্রকাশ করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন সাম্প্রতিক সংবাদ মাধ্যমের কভারেজ নিয়ে। যা পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি সামরিক ক্ষেত্রে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান খুইয়েছে। যা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ইরানের দাবি, তারা একটি এফ-১৫ স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধ বিমান গুলি করে নামিয়েছে। দুই ক্রু সদস্যের মধ্যে একজন উদ্ধার হয়েছে, অন্যজনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, মার্কিন ওই পাইলট ইরানের হাতে আটক। এর কিছুক্ষণ পর এ-১০ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর দেয় এক মার্কিন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিমানটি গুলি করে নামানো হয়েছিল কিনা বা দুর্ঘটনার কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে এরই মধ্যে এ-১০ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজতে গিয়ে ‘ব্ল্যাকহক’ হেলিকপ্টার পাঠিয়েছিল আমেরিকা।

