আহত ইরানের পাল্টা মারে লন্ডভন্ড গোটা পশ্চিম এশিয়া। সংঘাতের জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় একাধিক উড়ান। তবে বিমানবন্দর বন্ধ থাকলেও জনজীবন স্বাভাবিক। প্রথম দিকে দুবাইয়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হলেও আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে আকাশপথ। এমনটাই জানাচ্ছেন দুবাইয়ের থাকা ভারতীয় বাসিন্দারা (Dubai Situation Now)।
এই অঞ্চলে ধারাবাহিক সামরিক আদান-প্রদানের ফলে সংঘাতের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রশাসন দাবি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিকে দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তীব্র উত্তেজনা সত্ত্বেও, দুবাইতে বসবাসকারী অনেক ভারতীয়রা বলেছেন যে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সামান্য কিছু পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে।
সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে তাঁরা জানিয়েছেন, ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির পরের প্রথম দিনগুলি অনেক বাসিন্দার জন্য কিছুটা আতঙ্কের ছিল। বিস্ফোরণের শব্দ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিল। তবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এতটাই ভালো, যা আমাদের শান্তিতে ঘুমনোর আশ্বাস দেয়।’
দুবাইয়ে ফের ড্রোন হামলা, বন্ধ বিমান চলাচল, জারি হাই অ্যালার্ট
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বাসিন্দা সিদ্দিকি জানান, তাঁর সন্তানেরা প্রথমে অপরিচিত শব্দে ভয় পাচ্ছিল। প্রথমে নির্মাণ কাজের শব্দ বলে ভোলানোর চেষ্টা করলেও তারা বুঝতে পেরেছিল।
শহরের অন্যান্য ভারতীয় বাসিন্দার মতো, সিদ্দিকি জানান, যে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় খুব একটা দাগ কাটতে না পারলেও রাতে অদ্ভূত একটা নীরবতা কাজ করছে। আকাশে জেট বিমান উড়ে যাচ্ছে, তবে এটি সুরক্ষার জন্য। ঘরে অনেকেই জিনিসপত্র মজুত করে রাখছেন এবং নাগরিকরা সেনাদের সাহায্য করছে।
দুবাইয়ের আরেকজন ভারতীয় অনুপম খাউন্দেরও একই রকম অনুভূতি। তাঁর বক্তব্য, “পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত রয়েছে। এখানে-সেখানে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে, বেশিরভাগই বাধাপ্রাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় পড়েছে।”
আরেকজন প্রবাসী সুদীপ থমাস, যিনি ২০০০ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে বসবাস করছেন, তিনি বলেন, “এখানে পরিস্থিতি শান্ত। কর্তৃপক্ষ খুবই সক্রিয়। নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারা জনগণের সঙ্গে আছেন”।

