জাপানের পর নেপালও (nepal) নাকি ভারতীয় আমের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সম্প্রতি এমনই খবর ছড়িয়েছিল। তবে এই খবর, ভুল এবং বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে ভারত সরকার ।
সূত্রের খবর, বুধবার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক জানায়, নেপাল ভারত থেকে আম আমদানি বন্ধ করেনি। নেপালও ১০ জুন স্পষ্ট করেছে যে, ভারতীয় আমের উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করায় খাদ্য নিরাপত্তার কারণে সম্প্রতি জাপানে আলফনসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লির মতো বিখ্যাত ভারতীয় আমের আমদানির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জাপান। আর এরফলে সমস্যায় পড়েছেন এদেশের আম চাষিরা। রফতানি না হওয়ায় মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কৃষ্ণনগর-সহ বিভিন্ন প্রান্তের আম চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে (nepal)।
ভারতের তরফে বলা হয়েছে, নির্ধারিত স্বাস্থ্য ও গুণগত মানের বিচারে সমস্ত নিয়ম মেনে আমদানি করা হলে অনুমতি ও ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ভারত নেপালে ১৪৯ টি চালানে মোট ২,০০৫ টন আম রফতানি করেছে। শুধু জুন মাসেই ১৮টি চালানে ২৬৬ টন আম পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতীয় আমের আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম নতুন নয়। (Indian Mangoes) আলফানসো, কেশর, ল্যাংড়া কিংবা বাঙ্গানাপল্লির মতো প্রজাতির আম বহু বছর ধরে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি জাপানেও রপ্তানি হয়ে আসছে। কিন্তু চলতি মরশুমে আচমকাই সেই পথে বড় বাধা তৈরি করল জাপান। ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে টোকিও।
চলতি বছরের মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের রহমানপুরে জাপানি পরিদর্শক দল ভারতীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টগুলিতে কিছু ‘ত্রুটি’ খুঁজে পায়। অভিযোগ, জীবাণুমুক্তকরণ ও ফিউমিগেশন সংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে মানা হয়নি। এরপরই জাপানের ইয়াকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা করে, ২৫ মার্চের পর ভারত থেকে ইস্যু হওয়া সার্টিফিকেটযুক্ত কোনও আম আর গ্রহণ করা হবে না।

