বিশ্বে ফের ব্যকফুটে পাকিস্তান। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি জানিয়েছে তারা ইসলামাবাদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা করবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তান কূটনৈতিক ও আর্থিক দিক থেকে সমস্যায়। আর UAE-র এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাম্প্রতিক ভারত সফর।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে UAE আগ্রহ হারিয়েছে। তারা এই বিমানবন্দর পরিচালনার জন্য কোনও স্থানীয় পার্টনার খুঁজে পায়নি। সাধারণত, বিদেশি সংস্থাগুলো স্থানীয় সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে এগুলো করে থাকে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও UAE-এর সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে চলেছে। ইয়েমেন ইস্যুতে দু’দেশের ভিন্ন অবস্থান সেই ফাটল আরও স্পষ্ট করেছে।
এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি ও তথাকথিত ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠনের পথে হাঁটলেও, UAE ক্রমশ ভারতের দিকে ঝুঁকছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থার দুর্নীতি ও পরিকাঠামোগত সংকট বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করেছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের বেসরকারিকরণও সেই সঙ্কটের ইঙ্গিত দেয়।
সম্প্রতি UAE ও ভারত চুক্তি করেছে ৯০০ ভারতীয় বন্দিকে মুক্তি দেবে UAE। এই সম্পর্কটা প্রমাণ করে পাকিস্তানের সঙ্গে UAE-র ঘনিষ্ঠতা শুধু লোক দেখানো।

