স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান চাইছে, ইরান (Iran War)। জাপানি সংবাদমাধ্যমে এ কথা স্পষ্ট করে বলে দিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরান যুদ্ধবিরতি মানবে না, স্পষ্ট করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, তেহরান চায় না গত বছরের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটুক। ফলে মধ্য এশিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা আরও জটিল হল বলেই আশঙ্কা।
জাপানি সংবাদমাধ্যম কিয়োদো নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “আমরা কোনও যুদ্ধবিরতি মেনে নেব না, কারণ আমরা চাই না গত বছরের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটুক।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই আরাঘচির এই বিবৃতি সামনে এসেছে। ট্রাম্প আগেই বলেছিলেন যে, তিনি ইরানের সঙ্গে “কোনও যুদ্ধবিরতি করতে চান না।” অর্থাৎ সাময়িক যুদ্ধ বিরতির পর আবার সংঘাত ফেরার আশঙ্কা থেকেই এই কঠোর অবস্থান।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পর্যাপ্ত সহায়তা না করার জন্য ট্রাম্প ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)’- (Iran War)এর মিত্রদেরও সমালোচনা করেন। তিনি তাদের “ভীরু” বলে তোপ দাগেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়া এই জোটকে “কাগুজে বাঘ” বলে অভিহিত করেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ২২ দিনে গড়াল। হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরাঘচি বলেন, তেল সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি “শুধুমাত্র শত্রুপক্ষের জাহাজগুলোর জন্য বন্ধ রয়েছে”। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে গত ২ মার্চ ইরান এই প্রণালীটি বন্ধ করে দেয়।
ট্রাম্প আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে “প্রচুর সহায়তার” প্রয়োজন এবং চীন ও জাপানের মতো দেশগুলো এতে যুক্ত হলে “খুবই ভাল হবে”। তিনি প্রণালীটি পুনরায় খুলে দেওয়াকে “একটি সাধারণ সামরিক কৌশল” হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, এই প্রণালীতে যাতায়াতকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করতে সামরিক জাহাজ ও বিপুল রসদের প্রয়োজন। ট্রাম্পের দাবি, সেই সহায়তা করার মতো “সাহস এখন পর্যন্ত ন্যাটোর হয়নি। তিনি আরও সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে শূন্য সংযম দেখাবে দেশ। ইতিমধ্যে ইরান জানিয়েছে, তাদের প্রতিক্রিয়া। এখও সম্পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ হয়ি। প্রয়োজনে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

