ভেনেজুয়েলার পর এখন কি তাহলে মার্কিন আগ্রাসনে মুখ গ্রিনল্যান্ডর দিকে? ধীরে ধীরে ট্রাম্প ফিরে যাচ্ছে মার্কিনি আগ্রাসী নীতির দিকে। ওদিকে গ্রিনল্যান্ডের অভিভাবক ডেনমার্ক আপত্তি জানিয়ে রেখেছে। আমেরিকা হামলা চালালে তা হয়তো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না ডেনমার্কের সেনার পক্ষে। সে কথা স্বীকার করেই প্রতিরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান জারলভ জানিয়েছেন, আমেরিকা সামরিক অভিযান চালালে তা একেবারেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। ন্যাটো গোষ্ঠীর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ একেবারেই বোকামি ও অপ্রয়োজনীয় এবং এর পরিণতিও ভয়াবহ হতে চলেছে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলে ট্রাম্প (Trump) গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বললেও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবির কোনও সারবত্তা নেই বলেই দাবি জারলভের। তাঁর মতে, আমেরিকা চাইলেই গ্রিনল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারে। দু’দেশের মধ্যে যে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে, তার ভিত্তিতে গ্রিনল্যান্ডে খননকাজ করতেই পারে আমেরিকা। ডেনমার্কের সাংসদ বলেন, যুদ্ধের কোনও প্রয়োজন নেই। আশা করছি, এটা আর বেশি দূর গড়াবে না। আবার আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।
প্রেসিডেন্ট পদে প্রথম দফাতেই গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও সে সময় ডেনমার্ক স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, গ্রিনল্যান্ড তারা বিক্রি করবে না। তখনকার মতো বিষয়টি সেখানে থেমে গেলেও, দ্বিতীয় দফায় আবার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বলতে শুরু করেন ট্রাম্প।
ভেনেজুলেয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আমেরিকা অপহরণ এবং বন্দি করার পরেই ট্রাম্প (Trump) আবার গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলায় বিষয়টিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। জারলভ আবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড তাঁরা বিক্রি করতে আগ্রহী নন। এবার দেখার বিষয় ডোনাল্ড ট্রাম্প কী সিদ্ধান্ত নেন। সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্বের রাজনৈতিক মহল।

