Site icon Hindustan News Point

Muhammad Yunus: বিদায়ী ভাষণেও ইউনূসের মুখে ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’, গুরুত্ব ব্যাখ্যা নোবেলজয়ীর

muhammad yunus

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনকাল শেষ হলো সোমবার (Muhammad Yunus Resignation)। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের পথ প্রশস্ত করার আগে জাতির উদ্দেশে প্রায় ২৫ মিনিটের বিদায়ী ভাষণে পদত্যাগের ঘোষণা করেন তিনি। তবে বিদায়ী ভাষণেও বিতর্ক এড়াতে পারলেন না নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চল বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ প্রসঙ্গ টেনে তাঁর মন্তব্য নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভাষণে ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্মুক্ত সমুদ্রসীমা কেবল ভৌগোলিক সীমা নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।’ তিনি দাবি করেন, নেপাল, ভুটান এবং উত্তর–পূর্বাঞ্চলকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি ভারতের নাম উল্লেখ করেননি, তবুও ‘সেভেন সিস্টার্স’-কে আলাদা সত্তা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে চিন সফরের সময়ও ইউনূস উত্তর–পূর্ব ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে অঞ্চলটি স্থলবেষ্টিত এবং সমুদ্রপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। সেই মন্তব্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিদায়ী ভাষণে একই ধরনের ইঙ্গিত থাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে একটি আসনে জয়ী BJP, বিজয়রথের সারথি ‘পার্থ’

ইউনূস আরও বলেন, ‘বর্তমান বাংলাদেশ স্বাধীন স্বার্থ রক্ষায় বিশ্বাসী এবং আর কোনও দেশের নির্দেশের উপর নির্ভরশীল নয়’। তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ভারতের উদ্দেশে পরোক্ষ বার্তা হিসেবে দেখছেন।

ইউনূসের শাসনামলে ঢাকা–নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে নানা টানাপোড়েনের অভিযোগ উঠেছিল। বিশেষ করে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি, চিন–বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠতা এবং সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে বিতর্ক সামনে আসে। বিদায়ী ভাষণে সেই প্রেক্ষাপটের প্রতিফলন দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

নয়াদিল্লি এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না জানালেও কূটনৈতিক মহলে ইউনূসের মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন সরকারের অধীনে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর।


Exit mobile version