পাক সামরিক ঘাটির উপরে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এমনাই দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। ইসলামাবাদের কাছে ওই হামলা চালানো হয়্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা প্রায় ১১ টা নাগাদ ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে তালিবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি। ইসলামাবাদ লাগোয়া ফৈজাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়ার নওশেরা সেনা শিবির, জামরুদ এবং অ্যাবটাবাদের এক সামরিক ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়। আফগান সরকারের দাবি, হামলা সফল হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা গিয়েছে। তালিবান জানিয়েছে, কাবুল, কান্দাহার এবং পাকতিয়ায় পাকিস্তানের রাতের বিমান হামলার জবাব দিতেই তারা এই পদক্ষেপ করেছে।
তবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি। পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। (PAKISTAN–AFGHANISTAN AIRSTRIKE)
এর আগে তালিবান দাবি করে, সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানি চৌকিতে হামলায় ৫৫ জন পাক সেনা মারা গিয়েছে। পাকিস্তান পাল্টা জানিয়েছে, তাদের অভিযানে ১৩৩ জন তালিবান সদস্য নিহত হয়েছে। যদিও তালিবান সেই দাবি মানেনি। দুই দেশের বক্তব্যে স্পষ্ট অমিল রয়েছে। (PAKISTAN–AFGHANISTAN AIRSTRIKE)
বর্তমান পরিস্থিতিতে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে পরিস্থিতি এখন ‘ ওপেন ওয়ার’। পাশাপাশি তালিবানদের গোষারোপ করে তাঁর অভিযোগ. পাকিস্তান আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাতে চাইলেও আফগানরা আক্রমণাত্মক পথ বেছে নিয়েছে। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা চাইলে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত। ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। (PAKISTAN–AFGHANISTAN AIRSTRIKE)
এর আগে গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে টানাপোড়েন চলছিল। মাঝেমধ্যে গোলাগুলি, ড্রোন হামলা এবং সীমান্ত চৌকিতে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষেরই তরফে। পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, আফগান ভূখণ্ড থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ চলছে। তালিবানের আরও দাবি , পাকিস্তান অকারণে তাদের উপরে হামলা চালাচ্ছে। একের পর এক পাল্টা পদক্ষেপ এবং কড়া বক্তব্যের জেরেই পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল ও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। (PAKISTAN–AFGHANISTAN AIRSTRIKE)

