মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (pm narendra modi) হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখলেন তিনি। ভারত-ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন এক ‘সুবর্ণ অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করলেন মোদি। পাশাপাশি ‘গ্লোবাল সাউথ’ নিয়ে দুই দেশের ভূমিকা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরলেন।
প্রধানমন্ত্রী (pm narendra modi) বলেন, “২০২২ সাল থেকে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত—উভয়ই ‘গ্লোবাল সাউথ’-সম্পর্কিত নানা বিষয় নিয়ে গোটা বিশ্বকে একই কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।” তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনগুলোতেও ভারত ও ইন্দোনেশিয়া এইভাবে একই লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করে যাবে।”
মোদী বলেন, “ভারত সম্প্রসারণবাদে নয়, বরং সমৃদ্ধিতে বিশ্বাসী। আমরা সকলের সঙ্গে মিলে সকলের উন্নয়নে বিশ্বাস করি।” তিনি ASEAN-এর মাধ্যমে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইন্দোনেশিয়া ASEAN-এর বৃহত্তম অর্থনীতি এবং এই বহুপাক্ষিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটির ভূমিকা অপরিহার্য।
অন্যদিকে, ভারত-ইন্দোনেশিয়া ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভবিষ্যতে ইন্দোনেশিয়া ভারতের থেকে বিপুল পরিমাণ ব্রহ্মোস আমদানি করবে বলে জানা গিয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্পর্কিত তথ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখলেও, প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, ইন্দোনেশিয়া প্রথমে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র-সহ ব্রহ্মোসের একটি ব্যাটারি কেনার প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল। তবে দুই দেশের এই আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র আমদানির চুক্তি।
এবার মোট ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের দুটি মিসাইল ব্যাটারির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ভারতের কাছ থেকে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা ইতিমধ্যে ভারতের সুখোই যুদ্ধবিমানে যুক্ত রয়েছে। অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের পরিমাণ কত হবে তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও, চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলি নিয়ে শীঘ্রই আলোচনায় বসবে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, এবার ভারতের কাছে সাহায্যের আর্জি PoK নেতার

