স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল বা কোনও অসামরিক এলাকাতে কখনোই আক্রমন করা যায় না। চিরকালই যুদ্ধের রীতিই মেনে চলা হয়ে থাকে। সেই নিয়ম রীতি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে ইজরাইল ও আমেরিকার যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে মৃত্যু হয়েছিল ১৫০ জনেরও বেশি পড়ুয়ার। এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আক্রমণ করতে অভিনব পন্থা ইরানের সরকারি সংবাদপত্রের।
প্রথম পাতায় নিহত পড়ুয়াদের ছবি ছাপা হয়। তার শিরোনাম করা হয় ‘ট্রাম্প, এদের চোখের দিকে তাকান।’ কেবল শিরোনাম করেই থেমে থাকেনি ওই সংবাদপত্র , সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তেও প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করা হয়েছে ‘যুদ্ধবাজ’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। লেখা হয়েছে, ‘ইরানে চলতে থাকা সামরিক আগ্রাসন সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নৃশংসতার জন্য দায় এড়াতে নানা দাবি তুলে ধরছেন। কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি তীব্র প্রত্যাখ্যানের জন্য যে দাবিগুলি করা হচ্ছে তা স্পষ্টতই মিথ্যা দাবি।’ Student’s Death Incident
প্রসঙ্গত, স্কুল চলাকালীন মিনাবের একটি ‘মেয়েদের স্কুল’-এ আছড়ে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্র। ধ্বংস হয়ে যায় গোটা স্কুলটি। অথচ তেহরানকেই এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তুলেছেন ট্রাম্প। শনিবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ইরান নিজেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ওদের অস্ত্রশস্ত্রের নিশানা ঠিক নয়। নিশানা ঠিক করতে না পেরে স্কুলে হামলা চালিয়ে বসেছে।”
ঘটনাচক্রে, দিন কয়েক আগে মার্কিন সরকারেরই এক সূত্র দাবি করেছিল, ইরানে স্কুলে হামলার ঘটনায় জড়িত আমেরিকাই। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা ইরানকেই কাঠগড়ায় তুলে ট্রাম্প নিজে বাঁচতে চাইছেন বলেই দাবি তেহরান টাইমস নামে ওই সংবাদপত্রের।Student’s Death Incident

