Site icon Hindustan News Point

Donald Trump: ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি ইরান, ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

Donald Trump 4

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল ইরানকে ঘিরে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়িয়ে নতুন দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে ট্রাম্প এই দাবি করেন এবং বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি ‘খুব কাছাকাছি’। ( Donald Trump )

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে চলা আলোচনা ও চাপের ফলেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে তেহরান। তিনি বলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে এবং আন্তর্জাতিক চাপ কমাতে এই পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই দাবি সত্যি হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ( Donald Trump )

ট্রাম্প ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম’-কে তাঁর নিজস্ব ভাষায় ‘nuclear dust’ অর্থাৎ পারমাণবিক ধুলো বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, গত বছর আমেরিকার বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার নিচে যে ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, তা খুঁড়ে বের করে ফিরিয়ে দিতে ইরান রাজি হয়েছে। এই পদক্ষেপ যদি বাস্তবে হয়, তাহলে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এই দাবির পর আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কূটনৈতিক মহলের একাংশ এই দাবিকে এখনও সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। ( Donald Trump )কারণ, অতীতে ইরান একাধিকবার পারমাণবিক চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অবস্থান পরিবর্তন করেছে। ফলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা IAEA-র তরফেও এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা ও পশ্চিমী দেশগুলির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে ট্রাম্প প্রথমবার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন আমেরিকা বেরিয়ে আসে। তারপর থেকে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়ে দেয়, যা আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

গত বছর ইরানের পারমাণবিক পরিকাঠামোয় আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর অনেক ইউরেনিয়াম মাটির নিচে চাপা পড়ে যায় বলে দাবি করা হয়। ট্রাম্প এখন সেই মজুত উদ্ধার করে হস্তান্তরের কথা বলছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই দাবি সত্যি হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। ( Donald Trump )


Exit mobile version