চিন সফর সেরে আমেরিকায় ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে প্রবল আগ্রহ বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে। তবে ট্রাম্পের ইরান সফরে আমেরিকা ও চিনকে অনেকটা কাছে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতির রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে পরমাণু বোমা ইস্যুতে ট্রাম্প দাবি, ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমা থাকা যে বিপজ্জনক, এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে একমত হয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্ট। জিনপিংয়ের সঙ্গে বহু প্রতিক্ষিত বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছে বলেই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও তাইওয়ান দ্বন্দ্ব মেটেনি বলেই জানা গিয়েছে। ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা বেজিং। তারা তেহরানের উপর প্রভাব খাটিয়ে আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের অবসান ঘটায় কিনা, সেটাই এখন দেখার। (Iran Nuclear)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ, বাণিজ্য এবং তাইওয়ান দ্বন্দ্ব নিয়েও কথা হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ হওয়া উচিত, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া উচিত। ইরানের কাছে পরমাণু বোমা থাকা উচিত নয়, এই বিষয়গুলিতে একমত হয়েছে চিন। ট্রাম্পের আরও দাবি, “আমরা এমন অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান করে ফেলেছি যা অন্যেরা পারত না।” (Iran Nuclear)
অন্য দিকে, ইরান আরও বিধ্বংসী প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। ইরানের হুঁশিয়ারি পাল্টা সম্পর্কে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইম্সের রিপোর্টে দাবি, ট্রাম্প এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ট্রাম্প সবুজ সঙ্কেত দিলেই ফের হামলা হবে। অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে চলেছে পাকিস্তান-সহ একাধিক দেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পাশে বসিয়ে চিন প্রেসিডেন্ট জিনপিং –এর দাবি, “অসাধারণ একটা মুহূর্ত। আশা করি, আগামী দিনে আমাদের দু’দেশের মধ্যে আরও ভালো কিছু হবে। আরও অনেক বিষয়ে আমরা পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করে তুলব।” যদিও সরাসরি ইরান নিয়ে কিছু বলতে চাননি চিনের প্রেসিডেন্ট। পরে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এই আমেরিকা-ইরান এর সংঘাত চলতে দেওয়া উচিত নয়। দিনের পর দিন ধরে চলতে থাকারও কোনও অর্থ নেই।”
৩০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের রিজার্ভ থেকে LPG নিয়ে কাজ, নতুন উচ্চতায় ভারত-UAE সম্পর্ক

