Site icon Hindustan News Point

Us Iran Peace Talks: রক্তে ভেজা স্কুল ব্যাগ ও জুতো! পাশেই নিহত পড়ুয়াদের ছবি, এমন পোস্ট করে কী বার্তা দিল ইরান?

Us Iran Peace Talks

বিমানের ভিতরে ফাঁকা আসন। সেই আসনে ছোট্টো স্কুল পড়ুয়াদের ছবি। পর পর সাজিয়ে রাখা রক্তমাখা ব্যাগ ও জুতো। প্রতিটি ছবির পাশে একটি করে ফুলের তোরা। এমনই একটি ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করলেন, ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের কালিবাফ। কিন্তু কেন? এই ছবি পোস্ট করে বার্তা দিলেন, কী নৃশংতার সঙ্গে খুদে পড়ুয়াদের খুন করেছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল (Us Iran Peace Talks)। বিমানে এ ভাবেই মিনাবের স্মৃতি পাকিস্তানে বয়ে নিয়ে গেল ইরান। সেখানে দু’দেশের মধ্যে শান্তিবৈঠক হওয়ার কথা। তার আগেই এই ছবি পোস্ট বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই ছবি পোস্ট করে ইরানের স্পিকার লেখেন, ‘‘বিমানে এরাই আমার সঙ্গী। #মিনাব১৬৮।’’

মার্কিন এবং ইজরায়েলের হামলায় যে ১৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, পোস্টে ওই সংখ্যা উল্লেখ কালিবাফ। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পড়ুয়াদের রক্তমাখা ব্যাগের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। তারপরই এই পোস্ট করেন তিনি। শুক্রবারই পাকিস্তানে ইরানে ৭০ জনের প্রতিনিধি দল পৌঁছে গিয়েছে। এই শান্তিবৈঠকের তারা নাম দিয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’।

যদিও এই কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা সময়ের অপেক্ষায়। এই নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তবে ইরান আশাবাদী। এমনটাই দাবি করেছে সেই দেশের সংবাদমাধ্যমগুলি। বৈঠকের আগেই ইরান জানিয়ে দিয়েছে, আগের দেওয়া শর্ত মানতে, বিশেষ করে লেবাননে হামলা থামাতে হবে। ফলে এই নিয়েই বৈঠকের আগে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকার এই শান্তি বৈঠকের দিকে এখন তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

বৈঠকে বসার আগে ইরানের (Us Iran Peace Talks) স্পিকার যে ছবি পোস্ট করে ইরানের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার স্মৃতি উস্কে দিলেন, আলোচনায় সেই ঘটনা নিয়ে আমেরিকাকে আবার কাঠগড়ায় তুলতে পারে ইরান। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাবে এক স্কুলে টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে, ওই দিনই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে দুই দেশ। ওই দিনই প্রথমে হামলা চালানো হয় সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের দফতরে। সেই হামলায় নিহত হন খামেনেই-সহ ইরানের বেশ কয়েক জন সামরিক এবং প্রশাসনিক কর্তা। তারপরই হামলা চালানো হয় মিনাব শহরে। সেই হামলাতেই ওই স্কুল পড়ুয়া-সহ ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়।


Exit mobile version