ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার পদে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হওয়ার পর ইসরায়েলের (Israel) ওপর প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ছে বাহারিনও। ( West Asia tension)
ইরানের বেপরোয়া হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাহরিনের সিত্রা দ্বীপ।তেহরানের প্রতিশোধ মূলক ড্রোন হামলা সে দেশের ৩২ জন জখম হয়েছেন। তাদের মধ্যে সকলেই বাহারিনের নাগরিক। শিশুসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা।
পাশাপাশি হামলার কারণে আগুন লাগে একটি তেল শোধনাগার কমপ্লেক্সে। তারপরই রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা সোমবার তাদের তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মাজ্যুর’ (Force Majeure) ঘোষণা করে।

বাহরিন সংবাদ সংস্থাজানিয়েছে, এই ঘোষণা একটি আইনি পদক্ষেপ। অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে কোনও সংস্থা তার চুক্তিগত দায়বদ্ধতা সাময়িকভাবে পালন করতে না পারলে এই বিধান প্রয়োগ করা হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ঘটতে থাকা আঞ্চলিক সংঘাত এবং তেল শোধনাগারে হামলার জেরে কোম্পানির কাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তবে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়, সে দেশের স্থানীয় জ্বালানি চাহিদার ক্ষেত্রে কোনও ঘাটতি হবে না। (West Asia tension)
জানা গিয়েছে , বাহরিন বিস্তৃত আল-মা’মির তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ওই হামলার জেরে কমপ্লেক্সে আগুন ধরে যায় এবং কিছু পরিমাণে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বাহরারিন নিউজ এজেন্সি সামাজ মাধ্যম X-এ জানিয়েছে, আল-মা’আমিরে লক্ষ্য করে ইরানি আগ্রাসনের ফলে ওই শোধনাগারে আগুন লাগে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে, তবে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করেছে।
এই হামলার কারণে তবে কি এবার পশ্চিম এশিয়ায় নতুন সমীকরণ দেখা যেতে পারে? বাহরিনে হামলার ফলে তবে কী এবার যুদ্ধের পরিধী আরও বিস্তৃতি হতে চলেছে ইরানের বিরুদ্ধে ! সেটা অবশ্য সময় বলবে।












