রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Mamata and Modi: নববর্ষের শুভেচ্ছায় কেন্দ্রকে খোঁচা মমতার! ভোটের মুখে বাংলার সংস্কৃতিকে কুর্নিশ মোদির

Mamata and Modi
---Advertisement---

বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণের সূচনা নববর্ষের হালখাতা। আপামর বাঙালি মেতে ওঠেন এই উৎসবে। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata and Modi)। রাজ্যের মানুষকে এবার নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকারের রাখার জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগের আবেদন করেছেন তিনি।
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন “রাজ্যের সকল প্রান্তের মানুষকে হৃদয়ের অন্তর থেকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভনন্দন। এই নবীন ঊষালগ্নে আপনাদের প্রত্যেকের জীবন হয়ে উঠুক গ্লানিমুক্ত। নতুনের এই আবাহনে প্রতিটি প্রাণ পবিত্রতায় ভরে উঠুক। আমাদের বাংলা যেমন শিল্প-সংস্কৃতির পীঠস্থান, তেমনই সর্বধর্ম সমন্বয়ের পীঠস্থান। কিছু অশুভ শক্তি এই বাংলাকে কলুষিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে দিল্লির জমিদাররা। মনে রাখবেন, এদের গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দিতে হবে।

আজকের এই শুভ দিনে আসুন আমরা সমবেতভাবে শপথ নিই; সবরকম সংকীর্ণতার দেওয়াল ভেঙে আমরা বেরিয়ে আসব। কোনও বিভেদকামী-স্বৈরাচারী শক্তি যেন আমাদের চিরকালীন শান্তি, ঐতিহ্যগত সম্প্রীতি আর সৌহার্দ্যের বন্ধন ছিন্ন করতে না পারে।”

তিনি আরও বলেন, ‘রাজ্যের তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার পরও ১০৫ টি সামাজিক প্রকল্প করেছে। আগামীদিনে যাতে সমস্ত মানুষ ভাল থাকে সেটা দেখাই প্রধান টার্গেট। বিজেপি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিন। সমস্ত এজেন্সি দিয়ে বাংলার ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। ভোটে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের মধ্যে অনেকের নাম তুলতে সুপ্রিম কোর্টে যেতে হয়েছে।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Mamata and Modi) তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানান। তিনি লেখেন, ”বিশেষ দিনে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। প্রার্থনা করি আগামী বছরে আপনার সব কামনা পূরণ হোক। আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা সদা বিরাজমান থাকুক। আপনার সুস্বাস্থ্য ও অনন্ত সুখ কামনা করি। ভারতের সভ্যতার চেতনাকে গড়ে তোলা পশ্চিমবঙ্গের কালজয়ী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উৎযাপনেরও এটি একটি উপলক্ষ।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment