সামনের সপ্তাহেই রাজ্যে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। কাজেই শেষ পর্যায়ে এসে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার সারতে ব্যস্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। এবার প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের প্রার্থী। রাস্তার বেহাল দশা ঘিরে ক্ষোভ, প্রচারের মাঝেই সাধারণ মানুষের প্রশ্নবাণের মুখে তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস। পাল্টা কী জবাব দিলেন তিনি?
আজ উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা বিধানসভার ইছাপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচারে বের হন তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস। প্রচারের সময় ইছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩২ নম্বর বুথ এলাকায় রাস্তার বেহাল অবস্থাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রার্থীর সামনে দাঁড়িয়েই তারা দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। (West Bengal Election)
এই পরিস্থিতিতে নরোত্তম বিশ্বাস পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, “আপনারা আমাকে নয়, যিনি গত পাঁচ বছর বিধায়ক ছিলেন, তাঁকে প্রশ্ন করুন। তিনি বিজেপির বিধায়ক হয়েও কেন এলাকার উন্নয়ন করেননি?” পাশাপাশি তিনি বলেন, যারা অভিযোগ করছিলেন তারা শাসক দলের সমর্থক নন বরং বিরোধী দলের লোক। তবে তিনি আশ্বাস দেন, “এবার আমাদের সুযোগ দিন, আমরা জিতলে এই রাস্তার সমস্যার সমাধান করব।”
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নরোত্তম বিশ্বাস দাবি করেন, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আসলে তাঁর বিরুদ্ধে নয়, বরং বিগত পাঁচ বছরের জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, “মানুষ প্রশ্ন তুলছে, এতদিন তাদের বিধায়ক কোথায় ছিলেন? কেন মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেননি?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, গাইঘাটা বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের ব্যানার ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, যা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। (West Bengal Election)
Vinod Kambli: জীবনের কঠিন ইনিংসে কাম্বলি, বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে বিশেষ উদ্যোগ সচিন তেন্ডুলকরের
এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতা রবীন দাস বলেন, “যারা ক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তারা অনেকেই বিজেপির কর্মী। পরিকল্পনা করেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। তাদের উচিত নিজেদের বিধায়ক ও সাংসদের কাছেই এই প্রশ্ন তোলা।”
সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে কারা জনগণের হয়ে বেশি কাজ করেছেন বা করবেন সেই হিসাব কষতেই ব্যস্ত জনপ্রতিনিধিরা। তবে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের পাল্লা কোন দিকে ভারী সেই উত্তর মিলবে ৪ মে। (West Bengal Election)










