প্রকাশিত হলো মাধ্যমিকের ফল। এবার মাধ্যমিকে পাসের হার ৮৬.৮৩% । মাধ্যমিকে প্রথম দশে ১৯টি জেলার ৮৩টি স্কুলের ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী। এই কৃতীরা কে, কীভাবে পড়াশোনা করতেন, ভবিষ্যত পরিকল্পনাইবা কি?
৬৯৮ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিকে প্রথম উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যামন্দিরের অভিরূপ ভদ্র। তারই সাফল্যের পিছনে মায়ের অবদান এসব থেকে বেশি বলে জানিয়েছে অভিরূপ। বাবা নেই কাজেই মা একা হাতে সংসার সামলেও তার পড়াশোনায় যতটা সম্ভব খেটেছেন। মাধ্যমিকের সবকটি বিষয়ের জন্য অভিরূপের মোট ৯ জন গৃহশিক্ষক ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি বই পড়া এবং সিনেমা দেখা ছিল তার নিত্যসঙ্গী । বিবেকানন্দের আদর্শে বিশ্বাসী অভিরূপ। আগামী দিনে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় সে। (Madhyamik Results)
মাধ্যমিকে দ্বিতীয় বীরভূমের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। বীরভূম জেলার সরোজিনী দেবী সরস্বতী শিশু মন্দির হাইস্কুলের ছাত্র। প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে প্রিয়তোষ। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়াশোনার প্রতি ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মনোযোগী ছিল সে। নিয়মিত অনুশীলন ও শিক্ষকদের পরামর্শ মেনেই এই সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।
মেধা তালিকায় রয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ৭ ছাত্র । তাদের মধ্যেই তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন সৌর জানা। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সে। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। পরীক্ষা ভালো হয়েছিল, তাই ভালো ফলের আশাও ছিল- জানালো সৌর। সারাদিনে খুব বেশি হলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাই পড়াশোনা করত।এবছরের মেধাতালিকায় বহরমপুরের তিনজন প্রথম দশ রয়েছেন। তাদের মধ্যেই আছেন কস্তুরী সিনহা। (Madhyamik Results)
৬৮৮ পেয়ে দশম হয়েছেন কস্তুরী। লাধুরাম তসনিওয়াল সারদা বিদ্যামন্দির স্কুলের ছাত্রী। ছোট থেকে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ। তার পরিবার এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাফল্য। পড়াশোনার পাশাপাশি গানবাজনা এবং লেখালেখি করতে ভালোবাসা সে। বড় হয়ে সাইকো থেরাপিস্ট হতে চায় কস্তুরী।










1 thought on “Madhyamik Results: মাধ্যমিকের মেধাতালিকার কৃতীরা কীভাবে পেলেন সাফল্য? ভবিষ্যতে কি হতে চান তারা?”