রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর নানা প্রান্ত থেকেই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বাড়ি, ক্লাব বা অফিসে ত্রাণসামগ্রী মজুত করে রাখার অভিযোগ উঠছে। এই অভিযোগে চলছে ধরপাকড়ও। এবার এমনই অভিযোগ উঠল যাদবপুরেও। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার আগেভাগেই তাঁর বাড়ি থেকে বের করে দিলেন মজুত থাকা সামগ্রী। এ দিন, তাঁর বাড়ি থেকে বের হলো লুঙ্গি, কম্বল,শাড়ি (Jadavpur Mla Debabrata Majumdar)।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্তা থেকে পুলিশ পৌঁছয় দেবব্রত মজুমদারের বাড়িতে। তল্লাশি চালাতে শুরু করেন তাঁরা। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্তারা পৌঁছতেই আগে ভাগে বাড়ি থেকে বের করে দেন মজুত থাকা ত্রাণ সামগ্রী। তখনই দেবব্রতর বাড়ি থেকে বের হয়-২০০ পিস ধুতি, ৩০০ পিস হ্যান্ডলুম শাড়ি, লুঙ্গি ১০০ পিস, কম্বল ৩০০টা, কূর্তি-লেগিংস ১০০, পাজামা-পাঞ্জাবি ৭৫ টি সেট (Jadavpur Mla Debabrata Majumdar)।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সামগ্রী কীভাবে ব্যক্তিগত বাড়িতে মজুত করা হলো তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার দুস্থ মানুষদের জন্য সরকারিভাবে যে ত্রিপল পাঠানো হয়েছিল, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়নি বলেই অভিযোগ ওঠে। তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। উদ্ধার হয় স্তূপাকার সরকারি ত্রিপল।
প্রাক্তন বিধায়ক নিজেই জানিয়েছিলেন এইসব সামগ্রী তাঁর বাড়িতে রয়েছে। তিনি বলেন, “এটা আমি দিয়ে দিলাম। যতক্ষণ আমি বিধায়ক ছিলাম ততক্ষণ ছিল। এখন নেই। তাই এটা ফেরত দেওয়া আমার দায়িত্ব। আর বিধায়কদের তো সরকারি কোনও কার্যালয় হয় না। বাড়িতেই রেখেছিলাম। এগুলো বর্ষাকালে দেওয়ার কথা। ১৫ মার্চ দিয়েছিল, আর তারপর নির্বাচন। সেই কারণে দিইনি নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করা হবে বলে। এখন যেহেতু আমি বিধায়ক নই সেই কারণে আমি ফেরত দিয়ে দিলাম। আমি জানিয়ে দিয়েছি।”










