ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাক, উত্তেজনা মালদার সীমান্ত

Malda
---Advertisement---

রাজ্যে পালা বদলের পরেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া হাতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। এবার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাককে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদার (Malda) বৈষ্ণবনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শুকদেবপুর এলাকা। শনিবার ভোররাত থেকেই সীমান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের ওপারে বহু বাংলাদেশি নাগরিক জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তে কড়া পাহারায় মোতায়েন রয়েছে বিএসএফ (Malda)।

জানা গেছে, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই পুশব্যাক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই সীমান্তের দুই প্রান্তে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে (Malda)।

উল্লেখ্য, শুকদেবপুর সীমান্তের প্রায় ১২০০ মিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। দীর্ঘদিন ধরেই এই কাঁটাতারবিহীন অংশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ এবং কৃষকদের জমির ফসল কাটাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল।

এদিনের এই ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিএসএফের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গোটা এলাকায় চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

বিজেপি বিধায়ক রাজু কর্মকার জানিয়েছেন, ‘‘সুখদেবপুরে বাংলাদেশের প্রায় ১০০০ মানুষ জমায়েত করেন বলে খবর পেয়েছি। ওপার থেকে যাঁরা বেআইনিভাবে এপারে এসে এতদিন বসবাস করছিলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছিল এই সীমান্ত দিয়ে। অথচ বাংলাদেশ সেই নিজেদের দেশের বাসিন্দাদের গ্রহণ করতে নারাজ। তাহলেই ভেবে দেখুন, বাংলাদেশ কত নির্লজ্জ। নিজেদের ধর্ম, নিজেদের নাগরিকদেরই ওরা নিচ্ছে না। তাহলে আমরা কেন এদেশে ওদের রাখব? আমরা আজকের গোটা ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি।”


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now