---Advertisement---

লন্ডনে পাকিস্তানি অভিনেত্রীর জন্মদিনে সারা-শর্মিলা, ভাইরাল ভিডিয়ো

June 23, 2026 1:10 PM
Sara Ali khan
---Advertisement---

লন্ডনে পাকিস্তানি অভিনেত্রীর জন্মদিন পালন করতে দেখা গেল, বলিউড দুই তারকা সারা আলি খান (Sara Ali khan) ও বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরকে। লন্ডনের একটি রেস্তোরাঁয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী কুবরা খানের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল এই দুই বলিউড তারকাকে। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়ো।

ঘরোয়াভাবেই পালিত হলো অভিনেত্রী কুবরা খানের ৩৩ তম জন্মদিনের পার্টি। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা গেছে, সারা আলি খান গান গাইছেন এবং শর্মিলা ঠাকুর নিজের হাতে অভিনেত্রী কুবরাকে জন্মদিনের কেক খাইয়ে দিচ্ছেন। এই আর এই ভিডিয়োই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে তাঁদের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নেটিজেনদের কাছে বেশ সাড়া ফেলেছে (Sara Ali khan)।

লন্ডনে মা অমৃতা সিং এবং ঠাকুমা শর্মিলা ঠাকুরকে নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন সারা। দিনকয়েক আগেই, লন্ডনের একটি থিয়েটার হলের অডিটোরিয়ামের ভেতরে বসে দুটি আলাদা সেলফি তুলে সেটিকে একটি সুন্দর কোলাজ আকারে পোস্ট করেন সারা। একটি ছবিতে তাঁকে হাসিমুখে ঠাকুমা শর্মিলার সঙ্গে পোজ দিতে দেখা যায়, অন্যটিতে তিনি জড়িয়ে ধরে আছেন মা অমৃতা সিং-কে।

ছবির ক্যাপশনে নিজের জীবনের দুই স্তম্ভকে ‘ওজি লেজেন্ডস’ (OG Legends) বা আসল কিংবদন্তি বলে উল্লেখ করে সারা লেখেন, ‘আমার ওজি লেজেন্ডদের সঙ্গে থিয়েটার টাইম! নাটকটা তো বেশ ভালোই ছিল, কিন্তু সেরা অভিনেত্রীরা তো আসলে আমার দুই পাশেই বসে আছেন!’ সেই ছবিও মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। আর তাঁদের সেই ছবি দেখে আবেগে ভাসলেন নেটিজেনরা।

১৯৯১ সালের অক্টোবরে বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী অমৃতা সিং-এর সঙ্গে ১২ বছরের বয়সের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন শর্মিলা পুত্র সইফ আলি খান। তবে ১৩ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের পর ২০০৪ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তারপরে খান পরিবারের সঙ্গে ফের সম্পর্ক স্থাপন।

এটা নতুন নয়, বিভিন্ন সময়ে সারা তাঁর পরিবারের দুই তরফ থেকেই পাওয়া ভালোবাসা এবং উৎসাহের কথা বলেছেন। তাঁর এই নতুন পোস্টটি সেই অটুট বন্ধনেরই আরও এক ঝলক দেখাল, যা মনে করিয়ে দেয় যে বলিউডে তাঁদের পরিচয়ের মূলে রয়েছে পরিবার।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment