---Advertisement---

‘ডিম থেরাপিতে BJP নেই’, খাদ্যের অপচয় নিয়ে কড়া বার্তা শমীকের

June 30, 2026 6:28 PM
Samik Bhattacharya
---Advertisement---

বঙ্গ রাজনীতিতে প্রতিবাদের জন্য বিরোধী দলের কাছে মিটিং মিছিল রাস্তা অবরোধের মতো একাধিক পথ খোলা থাকলেও সবার প্রিয় এখন ডিম থেরাপি। তবে এই ডিম ছোঁড়ার রাজনীতি এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে একে শুধু ক্ষোভ প্রকাশের অস্ত্র বলা যায় না। এমন ভাবে খাদ্যের অপচয় কোনও সরকারই মেনে নিতে পারে না। এবার তাই এই ডিম ছোড়ার বিরুদ্ধে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি স্পষ্ট জানালেন, ডিম ছোড়া একেবারেই না পসন্দ।

এদিন তিনি জানান, “এই ডিম ছোড়ার রাজনীতি পছন্দ করছি না। ডিম ছোড়ার সংস্কৃতির বাইরে আসতে হবে। গোটা দেশের মানুষ ভালো ভাবে নিচ্ছে না। এতে পশ্চিমবঙ্গের খুব একটা মুখ উজ্জ্বল হচ্ছে না। এটা কোনও সুষ্ঠু সামাজিক ব্যবস্থা নয়।” রাজ্য বিজেপির কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না সে প্রশ্ন তাঁকে করা হলে শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “এই ধরনের কাজ আমাদের দলের কোনও কর্মী করছেন না। চার ঘণ্টার বিজেপি এর মধ্যে আছে।”

‘আসল’, ‘নকল’ তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ২১ জুলাইয়ে ‘না’ পুলিশের

একই সঙ্গে এদিন ২১ জুলাই তৃণমূলের শহীদ দিবস পালন নিয়েও মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তৃণমূলের তরফ থেকে কুনাল ঘোষ আগেই জানিয়েছিলেন প্রতিবছরের মত এ বছরও ধর্মতলাতেই ২১ জুলাই পালন করা হবে। আদালতের তরফে এখনও মেলেনি অনুমতি। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন তাদের আমলে রাজ্যে কোথাও মিটিং মিছিল করতে হলে বারবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ১০৪ বার হাইকোর্টের দরজায় কড়া নাড়তে হয়েছিল। এখন আদালত যা রায় দেবে সেটাই হবে।

তবে একই সঙ্গে তিনি এও বলেন ২১ জুলাই এর ঐতিহ্য অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। শেষের দিকে সেখানে গান নাচ হতেও দেখা গিয়েছে। এ বিষয়ে যত কম বলা যায় ততই ভালো বলে মনে করেন তিনি।


Trishita Roy

স্কুলে পড়াকালীনই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসা থেকে এই পেশায় আসা। সমাজের মানুষের কাছে যেকোনো ঘটনার নির্ভুলভাবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উইমেন্স কলেজ ক্যালকাটা তে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিষয়ে স্নাতক স্তরে পাঠরতা। বিনোদন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক এবং রাজনৈতিক প্রতিবেদন লেখায় বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অবসর কাটে সিনেমা দেখে, গান শুনে এবং বই পড়ার মাধ্যমে।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment