রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বাংলায় ফুটবল ফিভার! জায়ান্ট স্ত্রিনে লাইভ স্ত্রিনিং জেলায় জেলায়, নন্দনে বসে খেলা দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী

world cup final 2026
---Advertisement---

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কাঁপছে সারা দেশ। সকলেই অপেক্ষা করছে সেই শুভ ক্ষণের। রবিবার গভীর রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল (World Cup Final 2026)। মুখোমুখি হতে চলেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা এবং ইউরো-সেরা স্পেন (Argentina vs Spain)। একদিকে লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বযুদ্ধের রোমাঞ্চ, অন্যদিকে স্পেনের তরুণ তুর্কিদের দাপট। এই হাইভোল্টেজ মহারণ ঘিরে উন্মাদনা বাংলাতেও। এবার এই মেগা আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ আর্থিক অনুদান বরাদ্দ করেছে রাজ্য ক্রীড়া দফতর। জানা গিয়েছে, খেলা দেখানোর সুব্যবস্থা করার জন্য প্রতিটি জেলাকে ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে (world cup final 2026)।

এই গোটা প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের (DM)। জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর জায়গা নির্বাচন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শকদের বসার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করার বিষয়টি জেলাশাসকরাই তদারকি করবেন। রাজ্য সরকারের এই অভিনব উদ্যোগের ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও বিশ্বমানের ফুটবল ম্যাচ বড় পর্দায় দেখার সুযোগ পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আক্ষরিক অর্থেই বড় খবর। একসঙ্গে গোটা গ্রাম বসে খেলা দেখার থাকবে আলাদাই অনুভূতি (world cup final 2026)।

নবান্ন সূত্রে খবর, এই বিশেষ আয়োজনের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর সঙ্গে একাধিক মন্ত্রী, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও থাকতে পারেন। পাশাপাশি, ফাইনালের রাতে নন্দনে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলারদের একাংশ এবং টলিউডের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখও। বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে নন্দন, রবীন্দ্রসদন ও অ্যাকাডেমি চত্বরকে উৎসবের আবহে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে এর আগে কখনও বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল এভাবে বড় পর্দায় সরকারি উদ্যোগে দেখানোর আয়োজন হয়নি। রাজ্যে পালা বদলের পর এই উদ্যোগ নিল রাজ্যের নতুন সরকার।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment