ভারতের নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কছাড় দিল আমেরিকা। শুধু ভারত নয়, ভারতসহ ২০টি দেশেও এই একই সুবিধা পাবে। ভারতীয় ওষুধ কোম্পানিগুলির জন্য এটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক একটি খবর। আমেরিকার ‘ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্ট’-এর ২৩২ নম্বর ধারার আওতায় নির্দিষ্ট কিছু লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধ ও উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ ‘অ্যাড ভ্যালরেম’ (মূল্য-ভিত্তিক) শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের মধ্যেই এই খবর সামনে এলো। শুধুমাত্র স্পেশালিস্ট ওষুধের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য। এর আওতায় সামগ্রিক ওষুধ বাণিজ্য অন্তর্ভুক্ত নয় (usa exempts tax)।
usa exempts tax: কোন কোন ওষুধ এর আওতায়?
যোগ্য পণ্যগুলির মধ্যে রয়েছে, বিরল রোগের ওষুধ। যেমন, বন্ধ্যাত্ব, সেল ও জিন থেরাপি, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, প্লাজমা এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটের (ADC) মতো অতি বিশেষায়িত ওষুধগুলি কোনও শুল্ক ছাড়াই মার্কিন বাজারে সরবরাহ করা যাবে। শুল্কমুক্ত সুবিধার কারণে এই ওষুধগুলি তৈরির মূল উপাদান (Active Pharmaceutical Ingredients – API) ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক কাঁচামাল কোনও অতিরিক্ত শুল্কের বোঝা ছাড়াই রফতানি করা সম্ভব হবে। ফলে আমেরিকার বাজারে প্রতিযোগীদের তুলনায় ভারতীয় কোম্পানিগুলির দামের দিক থেকে এগিয়ে থাকবে (usa exempts tax)।
জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা
ভারতের সিংহভাগ ওষুধ রফতানি হয় জেনেরিক ক্যাটিগরিতে। এই নতুন বাণিজ্য শুল্ক (Section 232) মূলত পেটেন্ট করা দামি ওষুধের ওপর প্রযোজ্য হওয়ায় জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনকারী বড় বড় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলি বড় কোনও রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ার সম্ভবনা নেই।
জরুরি স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনে ছাড়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্যগত চাহিদা মেটানোর জন্য স্পেশালিটি ওষুধের প্রয়োজন হলে কোম্পানিগুলি শুল্ক ছাড়ের আবেদনও করতে পারে। আবেদনগুলি প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং এতে পণ্যের শ্রেণিবিভাগ, সক্রিয় উপাদান, প্রস্তুতকারক, উৎপত্তিস্থল ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তাসহ বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে। এছাড়া, এর আওতায় শুধুমাত্র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, গবেষণা, উন্নয়ন বা অন্যান্য অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।












