জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় CISF শিবিরে গুলি চালিয়ে চার সহকর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক জওয়ানের বিরুদ্ধে। নিহতদের মধ্যে একজন আধিকারিকও রয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাসোহলির সেওয়া পাওয়ার প্রজেক্টে এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। (Jammu Kashmir Firing)
তর্কের পরেই গুলি
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ বাসোহলির মাশকা গ্রামের সেওয়া পাওয়ার প্রজেক্টে CISF-এর ইউনিটে এই ঘটনা ঘটে। কোনও একটি বিষয় নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। তার পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ, CISF-এর হেড কনস্টেবল অবদেশ কুমার সিং অফিস চত্বরে ঢুকে পড়েন। তাঁর হাতে ছিল সার্ভিস AK-47 রাইফেল। সেই অস্ত্র দিয়েই তিনি এলোপাথাড়ি গুলি চালান বলে অভিযোগ। CISF সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর কাছে ১৫০ রাউন্ড গুলি ছিল। ঘটনার পর তাঁর সার্ভিস রাইফেলটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। (Jammu Kashmir Firing)
হাসপাতালে মৃত্যু চারজনের
গুলিতে গুরুতর জখম হন চার CISF কর্মী। তাঁদের দ্রুত হিমাচল প্রদেশের একটি NHPC হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই পরে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল রফিক আহমেদ এবং কনস্টেবল সন্দীপ কুমার। (Jammu Kashmir Firing)
অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। অভিযুক্ত হেড কনস্টেবল অবদেশ কুমার সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেওয়া পাওয়ার প্রজেক্টটি সেওয়া নদীর উপর তৈরি একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। সেওয়া নদী রাভি নদীর একটি শাখা। মাশকা গ্রামের এই প্রকল্পে CISF নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। ঠিক কী কারণে তর্কের সূত্রপাত এবং কেন অভিযুক্ত গুলি চালালেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। (Jammu Kashmir Firing)











1 thought on “CISF শিবিরে গুলি চালিয়ে ৪ সহকর্মীকে খুন, কাঠুয়ায় গ্রেফতার জওয়ান”
Comments are closed.