কখনও আকাশছোঁয়া উত্থান, আবার কখনও কয়েক মাসের মধ্যেই বড় পতন। ইলন মাস্কের (Elon Musk) সম্পদের ওঠানামা যেন শেয়ারবাজারেরই গল্প। সেই গল্পে ফের বড় মোড়। এক ধাক্কায় আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে গেলেন টেসলা ও স্পেসএক্সের কর্ণধার। সোমবার একদিনেই তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৬৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ১.০৪ ট্রিলিয়ন ডলার।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের হিসাব অনুযায়ী, মূলত স্পেসএক্স এবং টেসলার শেয়ারের দাম বাড়ার কারণেই এই বিপুল সম্পদ বৃদ্ধি। অক্টোবরের শুরু থেকে স্পেসএক্সের শেয়ার বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। টেসলার শেয়ারও বেড়েছে ৬.৭ শতাংশ।
তিন মাস পর ফের সেই জায়গায়
প্রায় তিন মাস পর আবার ট্রিলিয়নিয়ারের তালিকায় ফিরলেন ৫৫ বছরের মাস্ক (Elon Musk)। এর আগে জুন মাসে প্রথমবার তাঁর সম্পদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। স্পেসএক্সের রেকর্ড-ব্রেকিং আইপিও-র পর সংস্থার শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়াই ছিল তার বড় কারণ।
তবে সেই উত্থান বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। স্পেসএক্সের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শেয়ারের দাম পড়তে শুরু করে। তার প্রভাব পড়ে মাস্কের সম্পদেও। জুলাইয়ের শেষ দিকে সর্বোচ্চ স্তর থেকে তাঁর সম্পদ ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কমে গিয়েছিল।
অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হরমনপ্রীত কৌর, তাঁর জায়গায় এবার কে?
স্পেসএক্স-টেসলার দৌলতেই ফের উত্থান
এবার অবশ্য ছবিটা বদলেছে। স্পেসএক্সকে নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সোমবার মরগ্যান স্ট্যানলির বিশ্লেষকেরাও মহাকাশ ও গোয়েন্দা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে স্পেসএক্সকে সম্ভাবনাময় এবং তুলনামূলক সস্তা বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। এর পর সংস্থার শেয়ারের দাম আরও বাড়ে। আগস্টের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় স্পেসএক্সের শেয়ার ইতিমধ্যেই ৫৮ শতাংশের মতো বেড়েছে।
অন্যদিকে, গত সপ্তাহে টেসলা জানিয়েছে, গত তিনমাসে তাদের গাড়ি বিক্রি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। সেই খবরেও টেসলার শেয়ারের দাম বেড়েছে।
ব্লুমবার্গের হিসাব অনুযায়ী, স্পেসএক্স ও টেসলায় মাস্কের (Elon Musk) মালিকানার মূল্য তাঁর মোট সম্পদের ৯৮ শতাংশেরও বেশি। তাই এই দুই সংস্থার শেয়ারের দাম বাড়া-কমার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের অঙ্কও দ্রুত বদলে যায়। এবার সেই দুই সংস্থার হাত ধরেই ফের ট্রিলিয়নিয়ারের ঘরে ফিরলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।












