প্রতি বছরের মতো এবারও সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাথার পাগড়ি নিয়ে মানুষের মধ্যে ছিল দারুণ কৌতূহল। রাজস্থানের যোধপুরী স্টাইলে বাঁধা রেশমি পাগড়ি পরে এদিন হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গাঢ় নীল রঙের কুর্তা আর সাদা চুড়িদারের ওপর হালকা আকাশী নেহরু জ্যাকেটে মোদীর সাজে ছিল ঐতিহ্যের ছাপ।
প্রধানমন্ত্রীর এই পাগড়ি প্রীতি অবশ্য নতুন নয়। ২০১৪ সালে লাল কেল্লায় তাঁর মাথায় ছিল লম্বা ঝুলের টকটকে লাল পাগড়ি। ২০১৫ সালে তা বদলে গিয়ে হয়েছিল হলদেটে রঙের ডোরকাটা পাগড়ি। আসলে গত কয়েক বছর ধরেই প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাজে রাজস্থান বা গুজরাতের লোকশিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের পছন্দের রাজ্যের পোশাকের মধ্য দিয়ে তিনি আঞ্চলিক সংস্কৃতিকেই সবার সামনে আনতে চাইছেন।
সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে EU প্রধান উরসুলা, করলেন ভারতের প্রশংসা
এবারের পাগড়ির আসল বিশেষত্ব ছিল তার রঙিন কারুকাজ। রাজস্থানী ‘টাই অ্যান্ড ডাই’ করা কাপড়ের ওপর সোনালি জড়ির সুতো দিয়ে বানানো হয়েছিল ময়ূরের পালকের নকশা। মেরুন, বেগুনি আর সবুজের মাঝে ওই সোনালি কাজ দেখে চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। এই রেশমি পাগড়ি যেন দিল্লির রাজপথে ভারতের নানা রঙের সংস্কৃতির কথাই আরও একবার মনে করিয়ে দিল।
কর্তব্য পথে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর বীরগাথা
পোশাকের এই রঙের বাহারের মধ্যেই কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে ফুটে উঠল দেশের শৌর্য। বিশেষ করে নজর কাড়ল ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর ওপর তৈরি তিন বাহিনীর একজোট ট্যাবলো। পহেলগাম হামলার জবাবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ভারত যে পাল্টা মার দিয়েছিল, সেই সাহসের গল্পই যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল প্যারেডে। জল, স্থল আর আকাশপথের সেনার এই অদম্য লড়াইয়ের প্রদর্শনীতে এদিন গর্বিত হলো গোটা দেশ।
কর্তব্য পথে ভারতের শৌর্য: সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নজর কাড়ল ‘অপারেশন সিন্দুর’









