প্রার্থী ঘোষণা হতেই সোনারপুরের রাজনীতিতে গতি বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। একদিকে সোনারপুর দক্ষিণে বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূলে যোগদানের ঢল, অন্যদিকে সোনারপুর উত্তরে রাতেই দেওয়াল লিখনে নেমে পড়ে জয়ের বার্তা দিলেন তৃণমূল (TMC) প্রার্থী ফিরদৌসী বেগম।
সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রার্থী লাভলি মৈত্র। তাঁর উপস্থিতিতেই রাজপুর টাউন তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে বিজেপি ও সিপিএমের একাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূলে যোগ দেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে লাভলি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ওপর আস্থা রেখেই এই যোগদান। আগামী দিনে আরও অনেকেই দলে শামিল হবেন বলেও আশাবাদী তিনি।
যোগদানকারী বিজেপি কর্মী নিরুপম রায়ের দাবি, প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন কর্মী একসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত। একই সুর শোনা যায় বাম কর্মী শেখর মান্নার কথাতেও। তাঁর বক্তব্য, মানুষের জন্য কাজ করার লক্ষ্যেই শাসক দলে যোগদান।
অন্যদিকে, সোনারপুর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার রাতেই দেওয়াল লিখনে নেমে পড়েন তিনবারের বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম। চতুর্থবারের জন্য লড়াইয়ে নেমে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। তাঁর দাবি, প্রতিবারই জয়ের ব্যবধান বেড়েছে, এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে।
ফিরদৌসী জানান, ২০১১ সাল থেকে তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন। দল তাঁকে ফের প্রার্থী করায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি, প্রচারে নেমেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, “নির্বাচন কমিশন নয়, যেন নির্যাতন কমিশন।” যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলার মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবেন বলেই বিশ্বাস তৃণমূল প্রার্থীর।
রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারও সারেন ফিরদৌসী।












1 thought on “সোনারপুর দক্ষিণে বিরোধী শিবিরে ভাঙন, প্রচার শুরু উত্তরের TMC প্রার্থী ফিরদৌসী বেগমের”