মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত। যদিও এই চুক্তির ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি দু’পক্ষই। এই চুক্তিতে ছিল, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা কমাবে ভারত। এ বার তারা সেই পথেই হাঁটছে। সূত্রের খবর, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করেছে ভারত সরকার। (US-INDIA Trade)
যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতীয় তেল সংস্থাগুলিকে রুশ তেল কেনা বন্ধ করা নিয়ে কোনও লিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে পিটিআই সূত্রে দাবি, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে নতুন অর্ডার না দিতে এবং ধাপে ধাপে আমদানি কমাতে বলা হয়েছে। (US-INDIA Trade)
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারতের কাছে শক্তি নিরাপত্তাই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তাঁর কথায়, “১.৪ বিলিয়ন ভারতবাসীর শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।” বাজারের দর আর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে ভারত নানা দেশ থেকে তেল কেনে—এটাই সরকারের পরিকল্পনা, বলে জানান তিনি। (US-INDIA Trade)
সূত্রের খবর, অধিকাংশ রিফাইনারি পুরনো চুক্তি অনুযায়ী চালান নিলেও নতুন করে রুশ তেলের অর্ডার দেবে না। এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর HPCL, MRPL এবং HMEL রুশ তেল কেনা বন্ধ করেছিল। IOC এবং BPCL-ও ধাপে ধাপে আমদানি কমানোর পরিকল্পনা করছে। দেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজও শেষ ১ লক্ষ ৫০ হাজার ব্যারেলের চালান পাওয়ার পর রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে পারে। (US-INDIA Trade)
তবে ব্যতিক্রম নায়ারা এনার্জি। সংস্থাটিতে রাশিয়ার Rosneft-এর ৪৯.১৩ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার চাপে তাদের বিকল্প কার্যত সীমিত। তাই বাধ্য হয়েই তারা রুশ তেলের উপর নির্ভরশীল থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। (US-INDIA Trade)
পরিসংখ্যান বলছে, রুশ তেল আমদানি ইতিমধ্যেই কমছে। ২০২৩ সালের মে মাসে দৈনিক ২১ লক্ষ ব্যারেল থেকে ২০২৫-এর ডিসেম্বরে তা নেমেছে ১২ লক্ষে। জানুয়ারিতে আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১১ লক্ষ ব্যারেলে। এটাই এবার শূন্যতে নেমে যেতে পারে বলে খবর। (US-INDIA Trade)












