Site icon Hindustan News Point

মৃত্যুর পর নন্দনে ফেরা ! শেষ শ্রদ্ধা, শেষযাত্রায় পরিচালক অনীক দত্তকে

Anik Dutta 1

জীবদ্দশায় তাঁর ছবি নন্দনে প্রদর্শন ঘিরে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণেই সরকারি প্রেক্ষাগৃহে উপেক্ষিত হতে হয়েছিল পরিচালক অনীক দত্তকে। মৃত্যুর পর সেই নন্দন চত্বরেই শেষ শ্রদ্ধা জানানো হল ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর স্রষ্টাকে। শুক্রবার, ২৯ মে, শববাহী গাড়ি এসে থামে নন্দনের সামনে। কাচঘেরা গাড়িতে ফুলে মোড়া অবস্থায় শায়িত ছিলেন পরিচালক। পাশে ছিলেন তাঁর মেয়ে রাই দত্ত। প্রিয় পরিচালকের শেষ দর্শনে ভিড় জমায় টলিপাড়ার বহু পরিচিত মুখ। (Anik Dutta)

নন্দন প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ, অভিনেত্রী-বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অঞ্জন দত্ত, অভিনেত্রী বিদিপ্তা চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়, বাম নেতা বিমান বসু সহ আরও অনেকে। প্রত্যেকেই শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রয়াত পরিচালককে। অনীকের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন কণ্ঠে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অনীকদা সিনেমার মাধ্যমে সমাজের অন্দরমহলের কথা তুলে ধরতেন। সেই মানুষটাকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না।”এরপরই রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, গণতান্ত্রিক দেশে সকলের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তাঁর কথায়, ভিন্ন মতের জন্য কাউকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। অতীতে যে ‘ব্যান সংস্কৃতি’ তৈরি হয়েছিল, নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা আর হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।(Anik Dutta)

অন্যদিকে, অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারীও ক্ষোভ উগরে দেন পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, অনীক দত্তের মতো একজন নির্মাতাকে দীর্ঘদিন মানসিক চাপে রাখা হয়েছিল। ‘অপরাজিত’-এর মতো ছবিও নন্দনে জায়গা পায়নি বলে দাবি করেন তিনি। অভিনেত্রী পাপিয়ার কথায়, “ডকুমেন্টারি বা তথ্যভিত্তিক সিনেমাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল কিছু মানুষের কারণে। সমাজের অন্ধকার দিক তুলে ধরার জন্যই অনীকদাকে রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল।” (Anik Dutta)

পরিচালকের শেষযাত্রাকে ঘিরে এদিন নন্দন চত্বরে আবেগ, রাজনীতি এবং স্মৃতিচারণ তিনেরই মিশেল দেখা গেল।

‘তাঁর কাছ থেকে বাংলা চলচ্চিত্র আরও অনেক কিছু পেতে পারত’, অনীক দত্তর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ সিনেমা জগতের


Exit mobile version