টানা চার দিন ছুটি। শুক্র থেকে সোমবার। মঙ্গলবার ফের শুরু হয়েছে কর্মব্যস্ততা। সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ততার দিনে চরম ভোগান্তিতে ব্যাঙ্ক গ্রাহকেরা। পাঁচ দিনের কর্মদিবস বা ‘ফাইভ ডে উইক’-এর দাবিতে ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির যৌথ মঞ্চ ‘ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস’ (ইউএফবিইউ)।
দেশব্যাপী ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়ার প্রভাব পড়েছে এ রাজ্যেও। এদিন সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সামনে কর্মীরা জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে সামিল হন। আন্দোলনকারী ব্যাঙ্ক কর্মীদের দাবি, অবিলম্বে তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া মেনে নিতে হবে। ধর্মঘটের জেরে ব্যাঙ্ক পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে সংগঠনের এক নেতা জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকেই তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই দাবি মানা হয়নি। যার ফলে আজ তাঁরা ধর্মঘট করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি আরও জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং পরিষেবার দাবি মেনে নেওয়া হলে তারা প্রতিদিন অতিরিক্ত ৪০ মিনিট কাজ করবেন।
ধর্মঘটের জেরে নগদ জমা ও তোলা, চেক ক্লিয়ারেন্স এবং ড্রাফট তৈরির মতো কাজ আটকে যেতে পারে। এদিকে, টানা ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় বেশ কিছু এলাকায় এটিএম-এ নগদ ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকছে।
ব্যাঙ্ক শাখাগুলি বন্ধ থাকলেও UPI, মোবাইল ব্যাঙ্কিং এবং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় কোনও প্রভাব পড়বে না।
তবে সরাসরি ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত গ্রাহকেরা সমস্যায় পড়েছেন। অনেক গ্রাহকই মঙ্গলবার ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের কথা জানেন না। এদিন অনেককেই ব্যাঙ্কে গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিতেো একই চিত্র ধরা পড়ল।










