রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই জম্মু ও কাশ্মীরের আকাশসীমায় ঘনিয়ে আসে এক অদ্ভুত রহস্য। সীমান্তের ওপার থেকে উড়ে আসে বেশ কিছু সন্দেহজনক ড্রোন। মুহূর্তের মধ্যে থমথমে হয়ে যায় গোটা উপত্যকা। সাম্বা থেকে রাজৌরি, পুঞ্চ থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত—সব জায়গাতেই যেন এক অজানা আতঙ্ক। পাকিস্তানি ড্রোনের এই আনাগোনা দেখে সেনা জওয়ানদের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। তড়িঘড়ি গোটা জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে জারি করা হয় হাই অ্যালার্ট। (Kashmir)
নিরাপত্তা সূত্রের খবর অনুযায়ী, ড্রোনগুলো হঠাৎ করেই ভারতীয় আকাশসীমার খুব কাছে চলে এসেছিল। অত্যাধুনিক রাডার এবং নজরদারি ব্যবস্থায় ধরা পড়ে ওই উড়ন্ত বস্তুগুলো। সঙ্গে সঙ্গে সেনা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। ড্রোনগুলো বেশ কয়েক মিনিট ভারতীয় সীমানার আশেপাশে চক্কর কাটছিল। তারপর হঠাৎ করেই সেগুলো আবার পাকিস্তানের দিকে ফিরে যায়। এই কয়েক মিনিটের লুকোচুরি খেলা ঘিরেই এখন নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। (Kashmir)
এই ঘটনার ঠিক পরেই পুরো উপত্যকাজুড়ে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে কড়া নজরদারি বসানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও সেনা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের ড্রোন-বিরোধী সিস্টেমগুলো এখন পুরোপুরি সক্রিয়। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা সন্দেহজনক কিছু দেখলেই কড়া জবাব দেওয়ার জন্য জওয়ানরা তৈরি আছেন। (Kashmir)
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সীমান্তের ওপার থেকে হয়তো নজরদারি চালাতেই এই চাল চেলেছে পাকিস্তান। তবে ড্রোনের মাধ্যমে কোনও অস্ত্র বা বিস্ফোরক ফেলার চেষ্টা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভয়ের কিছু নেই। পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি ভারতীয় সেনার নিয়ন্ত্রণে। নজরদারি আরও জোরদার করতে সীমান্তে প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হতে পারে। (Kashmir)










