---Advertisement---

কেতন খুনে নয়া মোড়! সিয়ার ভাইকে ১০ কোটির নোটিস

June 30, 2026 5:59 PM
ketan agarwal murder case
---Advertisement---

পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার এবার নয়া বিতর্ক সামনে এলো। আদালতে সিয়ার আইনজীবী কে? আশুতোষ শ্রীবাস্তব নাকি বিপুল দুশিং! এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সিয়ার ভাই সাহিল গোয়ালকে ১০ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠালেন আইনজীবী আশুতোষ শ্রীবাস্তব। আদালতে সিয়ার পক্ষে কে লড়ছেন? এই নিয়ে পুনের ভাডগাঁও মাভাল আদালত চত্বরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে (ketan agarwal murder case)।

আইনজীবী আশুতোষ শ্রীবাস্তবের দাবি, অভিযুক্ত নিজেই তাঁকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করেছেন এবং তাঁর কাছে সিয়ার স্বাক্ষর করা বৈধ কাগজ রয়েছে, যা আদালতের নথিতেও সংযুক্ত রয়েছে (ketan agarwal murder case)।

অন্যদিকে, সিয়ার ভাই সাহিল গোয়াল আইনজীবী আশুতোষ শ্রীবাস্তবের এই দাবি খারিজ করে জানান, তাঁদের পরিবার আইনজীবী বিপুল দুশিংকে সিয়ার পক্ষে মামলা লড়ার দায়িত্ব দিয়েছে। শুধু তাই নয়, শুনানির সময় বিচারক সিয়াকে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তাঁর পক্ষে শুধুমাত্র অ্যাডভোকেট বিপুল দুশিং-ই মামলা লড়ছেন। সিয়ার বক্তব্যের পর আইনজীবী অশুতোষ শ্রীবাস্তব আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান (ketan agarwal murder case)।

এরপরই পদক্ষেপ নেন আইনজীবী আশুতোষ শ্রীবাস্তব। সিয়ার ভাই সাহিল গোয়ালের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। ১০ পাতার আইনি নোটিসে দাবি করা হয়, তাঁকে সিয়ার আইনজীবী হিসাবে দায়িত্বভার দেওয়ার পরও তাঁর অনুমতি না নিয়ে অন্য আইনজীবী রাখাকে তিনি ভালো চোখে দেখছেন না। এতে তাঁর পেশার সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

আরও পড়ুন: করাচির হামলার জবাব? মধ্যরাতে আফগানিস্তানে বিমান হামলা, হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

আইনি নোটিসে আরও বলা হয়, সাহিলকে সমস্ত বিতর্কিত ভিডিয়ো, সমাজমাধ্যমে পোস্ট, ইউটিউব কনটেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে ও ক্ষমা চাওয়া না হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে নোটিসে। এছাড়াও সাত দিনের মধ্যে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন আইনজীবী অশুতোষ শ্রীবাস্তব।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment