শীতকালীন মাকালু শৃঙ্গ অভিযান করা অনেকটাই কঠিন। তবুও অদম্য সাহসকে ভর করে মাকালু অভিযানে পর্বতারোহী পিয়ালী বসাক। বেস ক্যাম্প থেকে তেমনটাই জানালেন তিনি। সেইসঙ্গে তার বিশ্বাস, মাকালু অভিযান সফল হলে পৃথিবীর মধ্যে মহিলা হিসেবে প্রথম শীতকালীন পর্বতারোহনে নতুন দৃষ্টান্ত হবে। সারা পৃথিবীতে বহু বিখ্যাত পর্বতারোহী আছেন যারা এই কঠিন পরিস্থিতিতে আরোহন করতে পারেননি। বেস ক্যাম্পে ১২৫ থেকে ১৪০ কিলোমিটার ঘণ্টায় হাওয়ার গতিবেগ রয়েছে। তাপমাত্রা -৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট থেকে -৫৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট নেমেছে। যত উপরে ওঠা হবে, তত তাপমাত্রা কমবে।অক্সিজেন ও থাকবে না।অভিযাত্রী প্রত্যেকেরই ঠান্ডায় নাক গলা জ্বলে যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ড থেকে তারা আবহাওয়ার রিপোর্ট নিচ্ছেন।দশ দিন মত আবহাওয়া ভালো থাকলেই সামিট শেষ করবেন তারা। MAKALU TREK
পাশাপাশি তিনি আরও জানান, শীতকালে বেস ক্যাম্পে পৌঁছতেই কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। শুধু মাত্র আর নয় ঘণ্টা ধরে পাথরের উপর লাফিয়ে বেস ক্যাম্প পৌঁছতে হয়েছে। এত শক্ত বরফ সেখানে লোহার কাঁটাও আটকায় না। একটু অসাবধান হলেই বরফে স্লিপ কেটে খাদে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাকালু বেস ক্যাম্প গরম কালেও অনেকটাই কঠিন। তাই পর্যটকরাও সেভাবে যাননা সেখানে। দুজন কুক নিয়ে মোট সাতজন মাকালু অভিযানে গেছেন পিয়ালীরা। শানু শেরপার তত্ত্বাবধানে ওই অভিযান। প্রাথমিকভাবে মাকালু অভিযানে চারটে ক্যাম্প করে অভিযান শেষ হয়। তারা চেষ্টা করবেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সামিট করে নেমে আসার।MAKALU TREK
অক্সিজেনের অভাব তো থাকবেই কারণ বায়ুমণ্ডলের ওপরে আমরা চলে যাচ্ছেন। পিয়ালীদের বেস ক্যাম্প ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় রয়েছে। মাকালুর মোট উচ্চতা 28 হাজার ফুটের কাছাকাছি। বেস ক্যাম্পে একমাস থাকা খাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে গিয়েছেন। MAKALU TREK
এবার শুধু সময়ের অপেক্ষা। মাকালু অভিযান পৃথিবীর মধ্যে মহিলা হিসেবে প্রথম শীতকালীন পর্বতারোহনে নতুন দৃষ্টান্ত হয় কিনা।










