পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলায় বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee Supreme Court)। SIR নিয়ে রাজ্যের একাধিক সমস্যার কথা তিনি তুলে ধরেন। সুপ্রিম কোর্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাননীয়া প্রথমেই স্পষ্ট করে দেন, তিনি যেসব ঘটনা তুলে ধরছেন, সে সব তথ্য পশ্চিমবাংলার বহুল প্রচারিত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘SIR কার্যত শুধু নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। বিয়ের পর পদবি বদলানো মহিলা, বাড়ি বদল করা ব্যক্তি ও ছোট ফ্ল্যাট কেনা মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের নাম যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই বাদ দেওয়া হচ্ছে। পরে যাকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা ইনকারেক্ট ম্যাপিং বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যা কিনা আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন।’
বিক্রিতে নয়া রেকর্ড বইমেলায়, বাড়ল পাঠকের ভিড়
আধার কার্ডকে মান্যতা দেওয়ার নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্য রাজ্যে মানা হয় ডোমিসাইল বা জাতিগত শংসাপত্র। বাংলায় কেন মানা হলো না? মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই SIR প্রক্রিয়া চাপিয়ে দেওয়ার ফলে ১০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। BLO-দের প্রাণহানি ও বহু মানুষ অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সুপ্রিম কোর্টের কাছে তিনি আবেদন জানিয়ে বলেন, ‘ভোটার তালিকা সংস্কার করার কথা বলা হলে, তবে শুধু বাংলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য কেন? অসমে SIR হলো না কেন?’
বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হয়। মমতার সওয়ালের পর নির্বচন কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।
নির্দেশে বলা হয়েছে, বানানের ছোটখাটো ভুলের কারণে যেন কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া না হয়, এ বিষয়ে কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। শুনানির নোটিস ভোটারদের দেওয়ার সময় কমিশনের আধিকারিকদের আরও সংবেদনশীল হতে হবে। আগামী সোমবার ফের সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানি রয়েছে।










