সদ্য শেষ হয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা নির্বাচন। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী পুরসভা নির্বাচনে বিতর্ক। অভিযোগ, ভোট দেওয়ার পর ভোটারের আঙুলে যে কালি ব্যবহার লাগানো হচ্ছে তা সব নির্বাচনে ব্যবহার করা কালি নয়। বদলে মার্কার পেন দিয়ে কালি লাগানো হচ্ছে। এই মার্কার পেনের দাগ সহজেই মুছে ফেলা যাচ্ছে, এমন অভিযোগ ঘিরেই প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে। Marker Controversy
ভোটারদের একাংশের দাবি, হাত ধুলে বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করলেই ওই দাগ ফিকে হয়ে যাচ্ছে বা পুরোপুরি উঠে যাচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, এতে করে কেউ চাইলে আবার ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। এই অভিযোগকে সামনে এনে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের ঘটনা ভোটারদের আস্থায় আঘাত করে। হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত বদল করলে তা আগেভাগে জানানো উচিত ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ যদি সত্যি হয় তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা।’ তাঁর মতে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনে কমিশন অন্য বিকল্প ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, সরকার বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না, বরং নির্বাচন ব্যবস্থার উপর জনগণের আস্থা বজায় রাখার দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। Marker Controversy
অন্যদিকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কালি বা মার্কারের দাগ মুছে ফেলার অভিযোগের ভিত্তিতে একই ব্যক্তির দু’বার ভোট দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। ভোটার একবার ভোট দিলে তার নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে যায় এবং একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার ভোট দিতে এলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়ে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটের পর আঙুলে চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এ ধরনের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










