Site icon Hindustan News Point

মৌসুমির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত, বৃষ্টি-ধসে মৃত ১০-এর বেশি, একাধিক রাজ্যে লাল সতর্কতা

Monsoon Fury

[ছবি:এক্স]

দেশজুড়ে মৌসুমি বৃষ্টির দাপটে (Monsoon Fury) একের পর এক রাজ্যে তৈরি হয়েছে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি। প্রবল বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, বজ্রপাত, বাড়ি ও দেওয়াল ধস-সহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বহু এলাকায় জলমগ্ন রাস্তা, ভেঙে পড়েছে গাছ, ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। আগামী কয়েক দিন আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)।

(Monsoon Fury) দিল্লিতে বৃহস্পতিবারের প্রবল বৃষ্টিতে বহু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রোহিনিতে বাড়ি ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন হয়েছে। বিকাশ মার্গ, দ্বারকা, মুনিরকা, সদর বাজার, আলিপুর-সহ একাধিক এলাকায় জল জমায় যানজটের সৃষ্টি হয়। আলিপুরে ট্রাক ও গাড়ি জলে ডুবে যায়। একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটে। যেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৭৩.৮ মিমি, সেখানে এ বছর ইতিমধ্যেই ১০১.৯ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। দিল্লিতেও বৃহস্পতিবারের প্রবল বর্ষণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ১৬০ মিমি-রও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টির জেরে রাজধানীর বায়ুর মানও সেপ্টেম্বর ২০২৩-এর পর সর্বাধিক উন্নত হয়েছে।

(Monsoon Fury) গুজরাতের সুরাটে আরও ছয়টি দেহ উদ্ধার হওয়ায় বৃষ্টি-সংক্রান্ত ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৭-তে পৌঁছেছে। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে বর্জ্যের স্তূপ ধসে ভবন ভেঙে পড়ার ঘটনায় উদ্ধারকাজ চলছে। এক জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে, আট জন এখনও নিখোঁজ বলে আশঙ্কা। থানেতে গাছ পড়ে আহত এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

(Monsoon Fury) উত্তরপ্রদেশে বজ্রপাত, দেওয়াল ধস ও জলমগ্ন নালায় পড়ে শিশুমৃত্যু-সহ সাত জন প্রাণ হারিয়েছেন। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে ২৪ ঘণ্টার জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে IMD। অরুণাচল প্রদেশের ছয় জেলায় নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে। হিমাচলের কিন্নৌরে ভূমিধসে তিনটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নদীর জল বেড়ে ১০০ ফুটের একটি লোহার সেতু ডুবে যাওয়ায় লিপ্পা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

(Monsoon Fury) উত্তরাখণ্ডে ভূমিধস ও নদীর জলস্তর বৃদ্ধিতে ১০৭টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। দেরাদুন-সহ সাত জেলায় লাল সতর্কতা জারি করে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। রাজস্থান, হরিয়ানা, পঞ্জাব, কেরল ও এনসিআরের নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদেও ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত। ওয়েনাড়ে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয় হয়েছে। এদিকে IMD জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতিমধ্যেই গোটা দেশে বিস্তার লাভ করেছে এবং জুলাইয়ের প্রথম নয় দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে।

চাবাহার বন্দরে আমেরিকার হামলা: ভারতের বড় ধাক্কা, লাভের মুখে চিন-পাকিস্তান?


Exit mobile version