নিয়মিত আমন্ড খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার এবং নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে রয়েছে। ভেজানো কাঠাবাদাম খেয়ে অনেকেই দিন শুরু করেন। তবে অনেকেই কাঠবাদামের খোসা খেতে পছন্দ করেন না (benefits of almond)। কিন্তু শরীরের জন্য কোনটা উপকারী তা কি জানেন?
benefits of almond: খোসাসহ বাদামের উপকারিতা কী?
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: বাদামের খোসায় বা লালচে আবরণে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে (benefits of almond)।
ফাইবার: এতে উচ্চমাত্রায় ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা পেট পরিষ্কার রাখতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
ভিটামিন: খোসায় ভিটামিন বি ও প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে। তবে খোসায় থাকা ট্যানিন অনেক সময় পুষ্টি শোষণে কিছুটা বাধা দেয়।
খোসা ছাড়ানো বাদামের উপকারিতা কী?
সহজপাচ্য: খোসা ছাড়িয়ে নিলে বাদাম হজম করা অনেক সহজ হয়, বিশেষ করে যাদের পেটের সমস্যা বা দুর্বল হজমশক্তি আছে।
পুষ্টি শোষণ: বাদাম ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে খেলে শরীর এর ভেতরের পুষ্টি উপাদান সহজে ও পুরোপুরি শোষণ করতে পারে।
কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর?
সাধারণত পুষ্টির দিক থেকে খোসাসহ বাদাম বেশি পুষ্টি সমৃদ্ধ, কারণ এর খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তবে যাদের হজমের গোলমাল হয় বা গ্যাস-অম্বলের সমস্যা আছে, তাদের জন্য খোসা ছাড়ানো বাদাম খাওয়া বেশি উপকারী। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো রাতে বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া, এতে হজমও ভালো হয় এবং পুষ্টিও পাওয়া যায়।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫ থেকে ৮টি কাঠবাদাম সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো। ফাইবার ও প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়। স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে কাঠবাদাম দারুণ কার্যকরী। শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার মাত্রা ও ইনসুলিনের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।












