সারা বছর ডায়েট করলেও পুজোর সময় এ সব মানা যায় না। ওই কয়েক দিন মুখে লাগাম দেওয়া বড্ড কঠিন। খিচুড়ি, লাবড়া, মিষ্টি আর লুচির মতো খাবার এড়িয়ে যাওয়া সত্যিই কঠিন। তবে অনেকেই ভোগ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন, পেট ফাঁপা,অ্যাসিডিটি নিয়ে চিন্তিত হন। উৎসব-অনুষ্ঠানে বা ‘ভোগ’ খাওয়ার জন্য আমরা অনেকেই সকালের ব্রেকফাস্ট বাদ দিয়ে দিই। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানের এটা এনেক বড় ভুল (durga puja diet)।
durga puja diet: খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল
পুজোয় স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্লেট ভর্তি করে খাবার না নিয়ে ছোট বাটিতে অল্প পরিমাণে ভোগ নিন। এর বদলে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার ‘লাবড়া’ (মিশ্র সবজি) বেশি করে খান এবং বেগুনি বা তেলেভাজার মতো খাবার একটির বেশি খাবেন না। পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য বজায় রাখুন। যদি আমিষ খাবার বা ঘন ঝোলের কোনও পদ (মাংস) খান, তবে তার সঙ্গে লুচি অথবা ভাত—যেকোনও একটি বেছে নিন, দুটোই একসঙ্গে খাবেন না (durga puja diet)।
তবে, মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন। মিষ্টির বাক্সে থাকা সব ধরনের মিষ্টি না খেয়ে, আপনার সবচেয়ে প্রিয় একটি মিষ্টি (যেমন—রসগোল্লা, সন্দেশ বা মিষ্টি দই) বেছে নিন। প্যান্ডেলে যাওয়ার আগে কিছু খেয়ে নিন। কখনোই সকালের ব্রেকফাস্ট বাদ দিয়ে প্যান্ডেলে যাবেন না। যাওয়ার আগে হালকা অথচ পেট ভরার মতো কিছু খেয়ে নিন। যেমন চিঁড়ের পোলাও (পোহা), উপমা, অথবা দইয়ের সঙ্গে ফল। এতে অতিরিক্ত খিদে পাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
শরীরে জলের ভারসাম্য ও হজমশক্তি বজায় রাখার পরামর্শ
নিয়মিত জল খান। প্যান্ডেলে ঘোরার সময় সঙ্গে জলের বোতল রাখুন এবং অল্প অল্প করে বারে বারে জল খান। কার্বনেটেড (গ্যাসযুক্ত), চিনিযুক্ত বা অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলো পেট ফাঁপা এবং শারীরিক অবসাদের কারণ হতে পারে। খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটুন। ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই বসে বা শুয়ে না থেকে ১০-১৫ মিনিট হালকা হাঁটাচলা করুন, যা খাবার হজমে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। পুজোর সময়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দোকান থেকে সদ্য রান্না করা গরম খাবার খান। খোলা অবস্থায় রাখা স্যালাড ও পানীয়ে বরফ এড়িয়ে চলুন।











