খেলার মাঝে প্লেয়ারদের মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পাড়া, সবেতেই একই ছবি দেখা যায়। এ বার ফের সেই ছবি সামনে এল আর ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানে আউশগ্রামে। খেলার মাঝেই মাঠের মধ্যে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হলো ৩০ বছরের তরুণ ফুটবলারের। নাম সুনীল হাঁসদা। তিনি গুসকরার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধারাপাড়ার বাসিন্দা। (Dies of heart attack)
আউশগ্রামের শিবদা কলোনি এলাকায় ১৬ দলের ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথম থেকেই খেলছিলেন সুনীল। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের মাঝেই সুনীলের বুকে যন্ত্রণা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠের মধ্যে লুটিয়ে পড়েন তিনি। সহ-খেলোয়াড়রাই দ্রুত তাঁকে টোটোয় করে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।(Dies of heart attack)
সুনীল, গুসকরা কলেজের মাঠে নিয়মিত অনুশীলন করতেন। বর্ধমান, দুর্গাপুর এবং কলকাতায় ফুটবল খেলেছেন। সোমবার রোদের মধ্যে খেলা চলছিল। মধ্যাহ্নভোজের পর নেমেছিলেন সুনীল। খেলার পরই তাঁর শারীরিক অস্বস্তি শুরু হয়। তাঁর ভাই অজয় হাঁসদা জানান, “সকাল থেকে দাদা কিছু খায়নি। খেলা শেষে অস্বস্তি লাগছে বলে উঠে আসে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সব শেষ হয়ে যায়।”
এই ঘটনায় ফুটবল আয়োজকদের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা জগা তুড়ি, সুকলাল বাস্কে, সুকল সরেন-সহ অনেকেই বলেন, “গ্রামীণ এলাকায় অনেক জায়গাতেই উপযুক্ত পরিকাঠামো ছাড়াই খেলাধুলো হয়। মাঠে অক্সিজেন, অ্যাম্বুল্যান্স বা জরুরি চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থা থাকে না। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।”গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, “ওই যুবক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। (Dies of heart attack) খেলার মাঠে শরীরের অক্সিজেন ও রক্তের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সিপিআর এবং জরুরি চিকিৎসা শুরু করলে অনেক সময় জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়।”উদ্যোক্তারা দাবি করেছেন, সুনীল অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মাঠে পানীয় জল, ওআরএস এবং প্রাথমিক ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।










