নতুন মরসুমে নতুন উদ্যমযেখানে লক্ষ্য রঞ্জি ট্রফি জয়। রবিবার থেকে কল্যাণী স্টেডিয়ামে দিল্লির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছে বাংলা। চার দিনের এই ম্যাচে বাংলার প্রধান ভরসা পেস আক্রমণ। আকাশদীপ, মুকেশ কুমার এবং মহম্মদ শামির মতো অভিজ্ঞ বোলারদের নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। (Bengal vs Delhi Ranji Trophy) অন্যদিকে, অনুস্টুপ মজুমদারের অবসরের পরে ব্যাটিং বিভাগে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায় এবং সুদীপ ঘরামিদের।
পেস আক্রমণে ভরসা, উইকেট নিয়ে খুশি কোচ
কল্যাণী স্টেডিয়ামের পিচ সাধারণত পেসারদের সাহায্য করে। তবে কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই উইকেটে ব্যাটার ও বোলার, দু’পক্ষেরই সুযোগ থাকবে। পরিস্থিতি কাজে লাগাতে পারলেই সাফল্য মিলবে। উইকেট নিয়ে খুশি বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তাঁর কথায়, “ইডেনের পরে আমাদের পছন্দের জায়গা কল্যাণী। দলে আকাশদীপ, মুকেশ কুমার এবং মহম্মদ শামি রয়েছে। সম্ভবত তিন পেসার নিয়ে খেলব।” তিন পেসারের পাশাপাশি দুই স্পিনার আমির গনি ও প্রদীপ্ত প্রামাণিককে নিয়েও ভাবছে বাংলা। (Bengal vs Delhi Ranji Trophy)
শনিবার সকালে অনুশীলনে দীর্ঘক্ষণ বল করেন আকাশদীপ ও মুকেশ। দলের সঙ্গে যোগ দেন মহম্মদ শামিও। শামির প্রশংসা করে লক্ষ্মীরতন বলেন, “আমার দীর্ঘ ক্রিকেট অভিজ্ঞতায় শামির মতো ক্রিকেটের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব দেখিনি। বাংলার প্রতি ওর দায়বদ্ধতা ভাবা যায় না।”
ব্যাটিংয়ে বাড়তি দায়িত্ব অভিমন্যুদের
অনুস্টুপ মজুমদারের অবসরের পরে বাংলার ব্যাটিং বিভাগে নতুন চ্যালেঞ্জ। অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ও সুদীপ ঘরামিদের ধারাবাহিকভাবে রান করতে হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলার সাফল্যে বোলারদের পাশাপাশি শাহবাজ আহমেদের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। লক্ষ্মীরতনের কথায়, “বাংলা দলের শক্তি গোটা দলটাই। যারা খেলছে, যারা খেলছে না, সকলেই সাফল্যের পিছনে রয়েছে। এবারও অভিমন্যু, সুদীপ ঘরামিরা ছন্দে রয়েছে। আশা করছি, শুরুটা ভাল হবে।” একবারে একটি ম্যাচ ধরে এগোনো এবং দলগত সংহতিতে জোর দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। (Bengal vs Delhi Ranji Trophy)
অরুণলালের পেপটক, সতর্ক দিল্লিও
অনুশীলনের শেষে বাংলার ক্রিকেট ডিরেক্টর অরুণলাল ক্রিকেটারদের উজ্জীবিত করেন। এর আগে উৎপল চট্টোপাধ্যায় ও অশোক দিন্দাও দলের সঙ্গে কথা বলেছেন। অরুণলালের মতে, গত কয়েক বছরে অন্তত তিন বার রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা ছিল বাংলার। তাঁর কথায়, কার্যত ভারতের সেরা বোলিং আক্রমণ নিয়ে খেলতে নামছে দল।দিল্লির কোচ বিজয় দাহিয়াও কলকাতার ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। অরুণলালের সঙ্গে তিনিও ক্রিকেটারদের উৎসাহ দেন। তবে কল্যাণীর পিচ দেখে কিছুটা অবাক দিল্লি শিবির। উইকেটে আরও বেশি ঘাস থাকবে বলে আশা করেছিল তারা। (Bengal vs Delhi Ranji Trophy)
এদিকে, শনিবার বাংলার অনুশীলনে নেট বোলার দিগন্তের মাথায় বল লাগে। সাময়িক ভাবে অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।










