ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) শুরুর আগে ইস্টবেঙ্গলের হোম গ্রাউন্ড নিয়ে ক্লাব ও ইনভেস্টরের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব অবশেষে মেটার পথে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে লাল-হলুদ শিবির সম্ভবত তাদের সব হোম ম্যাচ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই খেলতে পারবে, তাও সম্পূর্ণ নিখরচায়—এমনটাই জানিয়েছেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার (East Bengal FC)।
এবারের আইএসএল শুরু হচ্ছে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে, কিন্তু হোম ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। ক্লাব কর্তারা বড় স্টেডিয়াম যুবভারতীতে ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে থাকলেও, খরচের বিষয়টি মাথায় রেখে ইনভেস্টর ইমামি তুলনামূলক ছোট কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে হোম গ্রাউন্ড হিসেবে বেছে নিয়েছিল। কিশোর ভারতীর দর্শকাসন কম হওয়ায় সব সমর্থককে মাঠে ঢোকানো সম্ভব নয়—এই যুক্তিতে ক্লাব কর্তারা সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। এমনকি দেবব্রত সরকার জানিয়েছিলেন, সমর্থকরা মাঠে ঢুকতে না পারলে ক্লাবের কর্মসমিতির সদস্যরাও ম্যাচ দেখতে যাবেন না।
মুখরোচক খাবার থেকে বিশ্বকাপের লড়াই, অনুষ্ঠানে খোলামেলা আলোচনায় সৌরভ
এই পরিস্থিতিতে ক্লাব কর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন। দেবব্রত সরকারের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ইস্টবেঙ্গলকে বিনা খরচে যুবভারতী ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা সমর্থকদের জন্য বড় সুখবর। তিনি ইনভেস্টরদের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সম্মান জানিয়ে যেন যুবভারতীতেই ম্যাচ আয়োজন করা হয়।
এবারের আইএসএলে ম্যাচের সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক ক্লাবই খরচ কমানোর দিকে নজর দিয়েছে। সেই কারণেই ছোট স্টেডিয়াম বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হওয়ায় লাল-হলুদ সমর্থকদের সামনে আবারও ভরে উঠতে পারে যুবভারতীর গ্যালারি—এমনটাই আশা করছে ইস্টবেঙ্গল শিবির।












