ঘরের মাঠে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয় তুলে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল ইস্টবেঙ্গলকে। আইএসএলের চতুর্থ ম্যাচে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের লড়াই শেষ হয় ০–০ ফলে (East Bengal vs FC Goa)। চার ম্যাচে দুই জয়, এক ড্র ও এক হার নিয়ে এখন সাত পয়েন্টে লিগ তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় এফসি গোয়াকে। সপ্তম মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন ঈশান পণ্ডিতা, তবে দুর্দান্ত ট্যাকেলে বিপদ সামাল দেন আনোয়ার আলি। ১৩ মিনিটেও আকাশ সাঙ্গওয়ানের আক্রমণ রুখে দেন তিনি। গোয়ার একের পর এক আক্রমণের মধ্যেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল।
২৬ মিনিটে ম্যাচের অন্যতম সেরা সুযোগ পায় লাল-হলুদ। বিপিন সিংয়ের মাপা ক্রস থেকে কার্যত ফাঁকা গোলের সামনে বল পেয়েও গোল করতে পারেননি ইউসেফ এজেজারি। বল চলে যায় পোস্টের উপর দিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। কঠিন ম্যাচে এ ধরনের সুযোগ হাতছাড়া করাই শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ক্ষতি হয়ে দাঁড়ায়।
এফসি গোয়ার মূল লক্ষ্য ছিল ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা মিগুয়েলকে আটকে দেওয়া। বল পেলেই তাঁকে ঘিরে ধরছিল দুই-তিনজন ডিফেন্ডার। ফলে এজেজারি বা এডমুন্ড লালরিন্ডিকার কাছে বল পৌঁছনোর রাস্তা বারবার বন্ধ হয়ে যায়। তবু ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন মিগুয়েল।
মাঝমাঠে রমজানের রোজা রেখেও দুরন্ত খেলেন মহম্মদ রশিদ। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই জায়গাতেই তাঁর উপস্থিতি নজর কাড়ে। শেষদিকে তাঁর একটি শট গোয়ার ডিফেন্ডারের হাতে লাগলেও পেনাল্টির আবেদন নাকচ করেন রেফারি।
রক্ষণে দারুণ খেলেছেন আনোয়ার আলি, আর সামনে এডমুন্ড ও বিপিন সিংও চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। তবু গোলমুখে ব্যর্থতার কারণেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট পাওয়া হল না। আগামী ১৪ মার্চ কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে জয়ের পথে ফেরার লক্ষ্য নিয়েই নামবে ইস্টবেঙ্গল।












