Site icon Hindustan News Point

৩০০ কেজি মাছ নিয়ে বিশ্বকাপে হাল্যান্ডরা, নরওয়ের অদ্ভুত প্রস্তুতি ঘিরে চর্চা

Norway Football Team

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে (Norway Football Team) নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরতে মাঠের প্রস্তুতির পাশাপাশি খাবার নিয়েও কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না নরওয়ে। তাই তারকা ফুটবলার আর্লিং হাল্যান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডদের নিয়ে আমেরিকা উড়ে যাওয়ার সময়ে সঙ্গে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩০০ কেজি মাছ এবং ১১৬ কেজি ঐতিহ্যবাহী নরওয়েজিয়ান ব্রাউন চিজ। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নরওয়ের এই অভিনব উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

(Norway Football Team) দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে ফিরেছে নরওয়ে। এর আগে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে শেষবার খেলেছিল তারা। সেই আসরে ওলে গানার সোলস্কজার, টোরে আন্দ্রে ফ্লো ও রনি জনসেনদের নিয়ে গড়া দল গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছিল। তবে ইতালির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।
এবার নতুন প্রজন্মের তারকাদের হাত ধরে বড় স্বপ্ন দেখছে নরওয়ে। ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ড এবং আর্সেনালের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বে দলটি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স, সেনেগাল এবং ইরাকের সঙ্গে লড়বে।

বিশ্বকাপে (Norway Football Team) দলের ফুটবলারদের সর্বোচ্চ শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা করেছে নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন। ২০২০ সালে নরওয়ের হয়ে ‘কুলিনারি অলিম্পিক্স’ জয়ী শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড এবং শেফ এরিক টুফটেকে বিশ্বকাপ শিবিরে নিয়োগ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের জাতীয় দলের শেফের সঙ্গে মিলে তারা ফুটবলারদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করবেন।

এসপেল্যান্ডের মতে, সেরা পারফরম্যান্সের জন্য সেরা নরওয়েজিয়ান উপাদানই ব্যবহার করতে চান তাঁরা। তাই আমেরিকায় বসেও খেলোয়াড়দের জন্য নরওয়ের মাছ, দুগ্ধজাত পণ্য ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শাকিরা না আইশোস্পিড, ইন্টারনেটের আদালতে এগিয়ে কে?

নরওয়ের সংবাদমাধ্যম ভিজিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসপেল্যান্ড বলেন, “আমেরিকায় দাঁড়িয়ে বলতে পারাটা সত্যিই দুর্দান্ত। আমরা সেরা নরওয়েজিয়ান উপাদান ব্যবহার করতে চাই এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেটাই খেলোয়াড়দের সামনে পরিবেশন করতে গর্ববোধ করি।”

তিনি আরও জানান, আমেরিকায় বিপুল পরিমাণ মাছ পাঠানো মোটেও সহজ নয়। তবে (Norway Football Team) দলকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে অন্তত ৩০০ কেজি রেড ফিশ পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশের মাটিতেও খেলোয়াড়রা নিজেদের দেশের স্বাদ অনুভব করতে পারেন।

স্টালে সোলবাকেনের দল বর্তমানে নর্থ ক্যারোলিনার গ্রিনসবোরোতে অবস্থান করছে। সেখানেই চলছে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। (Norway Football Team) আগামী ৭ জুন নিউ জার্সিতে মরক্কোর বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে নরওয়ে। এরপর ১৬ জুন ম্যাসাচুসেটসের ফক্সবোরোতে গিলেট স্টেডিয়ামে ইরাকের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা।

বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন নিয়ে হাল্যান্ড বলেন, “২০১৯ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর থেকেই নরওয়েকে বিশ্বকাপ ও ইউরোতে নিয়ে যাওয়া আমার বড় লক্ষ্য ছিল। চাপ অবশ্যই আছে, তবে আমি সেই চাপ উপভোগ করি। আমাদের দারুণ একটি প্রজন্ম রয়েছে এবং আমি চাই নরওয়েকে বড় ফুটবল শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।”

মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই নরওয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, সাফল্যের জন্য তারা কোনও খুঁটিনাটি বিষয়কেই হালকাভাবে নিচ্ছে না। আর সেই কারণেই বিশ্বকাপে হাল্যান্ডদের সঙ্গে উড়ে গেছে শত শত কেজি মাছ ও চিজও।

কমল ISL-এর বাজারমূল্য, ফেডারেশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি ক্লাবগুলোর


Exit mobile version